1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০২:১৯ অপরাহ্ন

অনুমতি না থাকায় কুষ্টিয়ায় ইজতেমা মাঠ থেকে মুসল্লীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৪ মোট ভিউ

 

 

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় সাদ্ পন্থীদের আয়োজিত তিন দিনের জেলা ইজতেমা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। অনুমতি না থাকার কথা বলে মিরপুর উপজেলা প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইজতেমা বন্ধ করে দেন। আম বয়ানের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের মশান এলাকায়  শুরু হয় ইজতেমা। শনিবার আখেরি মোনাজাত হওয়ার কথা ছিলো।

জানা গেছে, সাদ পন্থী মুরুব্বীরা কুষ্টিয়ার মিরপুরের মশানে ইজতেমার আয়োজন করে। এ জন্য সপ্তাহ ধরে তারা প্রস্তুতি নিয়ে আসছিলো। বুধবার তারা মাঠ প্রস্তুত শেষ করে। সেখানে ইজতেমার যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর শুরু হয় বয়ান। সন্ধ্যার দিকে পুলিশ ও র‌্যাবের একাধিক দল যায়। মিরপুরের ইউএনও আব্দুল কাদেরও ইজতেমা মাঠে আসেন। আয়োজকদের ইজতেমা বাতিল করার অনুরোধ করেন। আয়োজন বাতিল না করায় বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়।

ইজতেমা আয়োজক কমিটির অন্যতম মুরুব্বী নুরুল আমিন রতন জানান,‘ আমরা অনুমতি চেয়েছিলাম, প্রশাসন দেয়নি। তারপরও আমরা মাঠ প্রস্তুত করেছি। নানা জায়গা থেকে হাজারো মুসল্লী এসেছে। বয়না চলছে। প্রশাসনের লোকজন এসেছিলো, তারা বিদ্যুতের লাইন কেটে দিয়েছে, আমরা মাইক চালাতে পারেনি। আমরা বিকল্প ব্যবস্থায় ইজতেমা চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ঢাকায় চাপ কমানোর জন্য জেলায় জেলায় ইজতেমা হচ্ছে। আজও ৫ জেলায় এক যোগে শুরু হয়েছে। আগে ৩০ জেলায় হয়েছে। এখানাতে আল্লাহর দ্বীনের কাজ হচ্ছে। খারাপ কিছু হচ্ছে না। এটা বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হচ্ছে। ইজতেমা কুষ্টিয়াসহ কয়েক জেলার মুসল্লীরা যোগ দিয়েছে। বিদেশি কিছু মুসল্লী রয়েছে। বিদ্যুত লাইন কেটে দেওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন তারা।

কুষ্টিয়া পুলিশের গোপনীয় শাখার কর্মকর্তা ফয়সাল হোসেন জানান, আয়োজক কমিটির কয়েকজন মুরুব্বী কয়েক সপ্তাহ আগে অনুমতির জন্য দরখাস্ত নিয়ে এসেছিলেন এসপি কার্যালয়ে। পরে আমরা তাদের ডিসি অফিসে যেতে বলি। পরে আমাদের কাছে তারা আর আসেনি।

মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল কাদের বলেন,‘ করোনাকালিন সময় কোথাও গণজমায়েতের অনুমতি নেই। প্রশাসন তাদের কোন অনুমতি দেয়নি। তাই আয়োজকদের ইজতেমা বাতিল করতে বলা হয়েছে। আমরা তাদের অনুরোধ করেছে আর না চালানোর জন্য। তারাও আমাদের কথা দিয়েছে।’

মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা জানান, যেহেতু তাদের অনুমতি নেই তাই চলে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। প্রয়োজনে আমরা তাদের সরিয়ে দেব। আর বিদ্যুত লাইন কারা কেটে দিয়েছে আমরা জানি না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page