1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :

আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে : মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

 

নিজ সংবাদ ॥ আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে। দেশের যে সব উন্নয়ন হয়েছে সবই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। কৃষকের কাছে ন্যায্য মূল্য সার পৌছে দেওয়া’ সেচের অভাবে কৃষক ধান উৎপাদন করতে পারত না। ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরী করে সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নে মতবিনিময় ও কর্মী সমাবেশে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি এসব কথা বলেন। তিনি বিদ্যুৎতের ঘাটতি নিয়ে বলেন, করোনা কালীন সময়ে দেশে কয়লা ও তৈল উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটে। সে সময় রাশিয়া যুদ্ধের জন্য সমস্যাটা হয়েছিলো। সাময়িক সময়ের জন্য বিদ্যুৎতের সমস্যা ছিলো। সে সময় মাথার উপরে লাইট জ্বলছে আর হাতে হারিকেন নিয়ে বিএনপি মিছিল করেছিলো। এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। বিএনপি-জামাত জনগনের মাঝে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে এসব অবাস্তব মিছিল মিটিং করে থাকে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে ২৭-২৮% ভাগ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিলো, সেই বিদ্যুৎ ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা পাওয়া যেতো না। আওয়ামী লীগ সরকার এসে শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করেছে। এসব উন্নয়ন বিএনপির চোখে পড়ে না। হানিফ এমপি বলেন, শিক্ষা খাতে দেশে উন্নয়ন হয়েছে। আগে গরীব অসহায় দিনমজুরের সন্তানেরা বইয়ের অভাবে লেখাপড়া করতে পারত না। বর্তমান সময়ে বছরের শুরুতে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীরা বই পাচ্ছে। দিনমজুরের ছেলে মেয়েরা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারছে। এসব সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য। গ্রাম বাংলার মানুষ ভাতা সুবিধা পাচ্ছে। এছাড়াও স্বল্প মূল্য খাদ্য সামগ্রী ক্রয় সহ ৪০ প্রকারের সুবিধা গ্রহন করতে পারছে ভুক্তভোগীরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খুব শীগ্রহই ২০৩১ সালের মধ্যে মধ্যেম আয়ের দেশে এ দেশ উন্নতি হবে। শেখ হাসিনা নারীদের অধিকার নিশ্চিত করেছে। হানিফ এমপি আরো বলেন, আজকে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে এই বিএনপি-জামাত মিথ্যাচার করে কথা বলছে। এদের অভিযোগটা কি? তাদের দাবী কি? ওরা বলে গনতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই। তারা জানেই না গনতন্ত্র মানে কি, গনতন্ত্র মানে মানুষের বাকস্বাধীনতা। এই বিএনপি প্রতিদিন সভা সমাবেশ করে সরকারের বিরুদ্ধে যখন যা খুশি তাই বলে যাচ্ছে যে তাদের কোন স্বাধীনতা নেই। মির্জা ফখরুল মিথ্যাচার করে বলছে এই সরকারের আমলে তারা হয়রানির স্বিকার হচ্ছে। বিএনপির কোন নেতা বা কর্মী বলতে পারবে না যে কেউ বিনা কারনে হয়রানি হচ্ছে। অথচ এই বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো’ তখন আওয়ামী লীগের ২৬হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিলো। হানিফ এমপি বলেন, আজকে মির্জা ফখরুল বলছেন তাদের নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। কিসের মামলা হয়েছে? ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে যখন পেট্রোল দিয়ে বাস, ট্রেন পুড়িয়ে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। সাড়ে ৩হাজার মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩শ থেকে ৪শ মানুষের প্রান চলে যায়। আমাদের মা-বোন, ভাইকে হত্যা করেছিলেন, সেসব হত্যা কান্ডের বিচার হবে না? স্বজনহারা ব্যক্তিরা মামলা করেছে, সেই মামলায় বিএনপির নেতারা আসামী হয়েছে। আর সেই মামলার আসামীদের নিয়ে বলছেন তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। এই সরকারের আমলে কোন বিএনপি নেতা বলতে পারবে না, যে কোথাও কোন নেতাকে হত্যার স্বীকার হতে হয়েছে। অথচ এই বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন অনেক আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার স্বীকার হতে হয়েছে। যারা হত্যার রাজনীতি করে তারাই আজ বলছে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। দেশের মানুষকে বাঁচতে শিখিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখতে আওয়ামী লীগ কঠোর ভূমিকা পালন করবে। হানিফ এমপি বলেন, দেশের মধ্যে কুষ্টিয়া হবে আধুনিক মডেল জেলা। কুষ্টিয়ায় কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীর ঠাই হবে না। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে জনগণ পুনরায় নৌকাকে বিজয়ী করবে। রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে হাসানবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে মতবিনিময় ও কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আরব আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুকউজ্জামান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, সিনিয়র সদস্য হাবিবুল হক পুলক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন রাজু ও মাযহারুল আলম সুমন, আব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী হায়দার স্বপন, জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বিকাশ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার গৌরব চাকী, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব বাদশা, সাধারণ সম্পাদক  শিক্ষানবিশ এ্যাড. মিজানুর রহমান মিজু, সহ-সভাপতি আফজাল হোসেন শিশির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান লাল্টু রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক আহবায়ক আনিচুর রহমান আনিচ, ইবি ছাত্র লীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত, সদর উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আদিপুজ্জামান সংগ্রাম, জেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি আকাশ, উপ দপ্তর সম্পাদক তানভীর আহমেদ সৌরভ প্রমূখ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com