1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের করোনাভাইরাসে মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে সংক্রমণ পাংশায় কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ রোভিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া ট্রমা সেন্টারের সাথে ইবি কর্মকর্তা কুষ্টিয়া পরিষদের স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর কালুখালীতে ইউএনও সহ অন্যান্য অফিসারদের সাথে প্রাঃ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কালুখালীতে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি নিয়োগ আলমডাঙ্গায় একজন কিডনি আক্রান্ত রোগিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান কুমারখালীর পশুহাটে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় কুষ্টিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত

আগ্রহ বাড়ছে অ্যাভোকাডোয়

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৯ মোট ভিউ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ গাঢ় সবুজ বর্ণের ফলটি দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের পেঁপের মতোই। নাম অ্যাভোকাডো, মধ্য আমেরিকার এ ফল এখন বাংলাদেশেই ফলছে। পুষ্টিগুণ ও উচ্চমূল্য হওয়ার কারণে অনেকে আগ্রহী হয়েছেন অ্যাভোকাডো চাষে। চাঁপাইনবাববগঞ্জের হর্টিকালচার সেন্টার, বিদেশি এ ফলের চারাকলম তৈরিসহ চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বের সব ফলের মধ্যে প্রথম সারিতে যে কয়েকটি ফলকে ধরা হয়, তার মধ্যে অ্যাভোকাডো অন্যতম। মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার স্থানীয় ফল হলেও পুষ্টিগুণের কারণে সারা বিশ্বেই চাহিদা রয়েছে ফলটির। বাণিজ্যিক চাহিদা থাকায় বাংলাদেশেও অ্যাভোকাডো চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহীন সালেহ উদ্দীনের মতে, অ্যাভোকাডো ফলটি খেতে খুব বেশি স্বাদ না হলেও এর পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই খান ফলটি। বাংলাদেশের বড় বড় সুপারসপে উচ্চমূল্যেই বিক্রি হয় অ্যাভোকাডো। অ্যাভোকাডোর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে যারা জানেন তারাই খুঁজে নেন ফলটি। অন্যদিকে বিদেশি ফল হওয়ায় একটু বাড়তি যতœ নিতে হয় অ্যাভোকাডো চাষে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটিতে এর চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান হর্টিকালচার সেন্টারে অ্যাভোকাডো মাতৃগাছের পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করা উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব। তার মতে বিদেশি ফল হওয়ায় অ্যাভোকাডো গাছের পরিচর্যায় একটু বেশি মনোযোগী হতে হয়, তাহলেই মিলে ফল।
অ্যাভোকাডো প্রতি কেজি প্রায় এক হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে। একটি মাঝ বয়সী গাছ থেকেই শতাধিক ফল পাওয়া সম্ভব, আর একেকটি ফল প্রায় ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি হয়ে থাকে। সবমিলিয়ে একটি গাছ থেকে ৭০-৮০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করা সম্ভব বলছেন গবেষকরা।
উদ্যানতত্ত্ববিদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ জানান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ ছাড়াও ছাদবাগানে লাগানো সম্ভব অ্যাভোকাডো। এ উদ্যানতত্ত্ববিদের মতে, বাড়ির উঠানে বা ছাদে একটি বা দুইটি অ্যাভোকাডোর চারা লাগালে, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয় করা সম্ভব। অ্যাভোকাডো চাষে আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায়, চারার চাহিদা বেড়ে গেছে। হর্টিকালচার সেন্টারে এর চারাকলম তৈরি করা হচ্ছে, যদিও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে মানুষের চাহিদার তুলনায় কমই চারা সরবরাহ করতে পারছেন তারা। কারণ অ্যাভোকাডো ফলে একটি বীজ থাকে, সেই বীজ থেকে চারা তৈরির পর সেই চারাগাছে গ্রাফটিংয়ের মাধ্যমে চারাকলম তৈরি করা হয়, এতে বেশ সময় লেগে যায়, তারপরও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সর্বোচ্চ সংখ্যায় চারা উৎপাদন করতে। তবে আগামী দুই এক বছরের মধ্যে আমাদের আরও কয়েকটি মাতৃগাছে ফল দেওয়া শুরু হলে চারা তৈরি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। বাংলাদেশে এখনো চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন ফল আমদানি করা হয়। তবে বর্তমানে অ্যাভোকাডোসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলতে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। এতে অদূর ভবিষ্যতে ফল আমদানি নয়, ফল রপ্তানির কথাও চিন্তা করতে পারবে বাংলাদেশ, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page