1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

ঈদের আগে বাড়ছে আদা-রসুনের দাম

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ৭৭ মোট ভিউ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ আর মাত্র কয়েকদিন পরই পালিত হবে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ঈদ সামনে রেখে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আদা ও রসুনের দাম। তবে ঈদ দোরগোড়ায় চলে আসলেও গরম মসলার দামে কোনো প্রভাব পড়েনি। মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের কারণে মসলার বিক্রিতে ভাটা পড়েছে। ফলে এবারের ঈদের আগে গরম মসলার বাজার বেশ ‘ঠান্ডা’। ফলে ঈদের আগে গরম মসলার দাম না বেড়ে উল্টো কমেছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বাভাবিক সময়ে গরম মসলা যে পরিমাণ বিক্রি হয়, কোরবানির ঈদের আগের এক মাস তার থেকে ২০-৩০ শতাংশ বেশি বিক্রি হয়। তবে এবার ঈদ কেন্দ্রিক কোনো বিক্রি নেই। এমনকি স্বাভাবিক সময়ে যে মসলা বিক্রি হয়, এখন বিক্রি তার ২০-৩০ শতাংশ মতো আছে। অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি ৭০ শতাংশের মতো কমে গেছে। বিক্রি কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এখন করোনাভাইরাসের প্রকোপ গ্রামাঞ্চলে বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যে কারণে দোকান খুব বেশি সময় খোলা রাখা যাচ্ছে না। আবার ঢাকার বাহিরের ক্রেতারা ঢাকায় আসতে পারছেন না। সবমিলিয়ে বিক্রি কমে গেছে। আর বিক্রি কমার কারণে দামও কমেছে। গরম মসলার দাম কমলেও আদা ও রসুনের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চীনা আদার দাম কেজিতে ৬০ টাকা এবং রসুনের দাম ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে চীনা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে। আর চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে এই রসুনের দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে। চীনা আদা ও রসুনের দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আলী নূর বলেন, ‘এখন চীনা আদা ও রসুনের আমদানি কম। দেশি আদা-রসুন বাজারে কম রয়েছে। আবার সামনে ঈদ হওয়ার কারণে সম্প্রতি কিছু ক্রেতা আদা-রসুন বাড়তি পরিমাণে কিনেছেন। এ সবকিছু মিলেই আদা ও রসুনের দাম বেড়েছে। ঈদের আগে আদা-রসুনের দাম কমার সম্ভাবনা কম। বরং পরিস্থিতি যা তাতে মনে হচ্ছে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।’ এদিকে মসলার বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে শুকনা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা। হলুদের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকায়। এ দুটি পণ্যের দাম সম্প্রতি বাড়া বা কমার ঘটনা ঘটেনি। পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘সাধারণত কোরবানির ঈদের আগে আমাদের বিক্রি ২০-৩০ শতাংশ বেশি হয়। কিন্তু এবার আমাদের কোনো বিক্রি নেই। বরং স্বাভাবিক সময়ে যে বিক্রি হয়, তার থেকেও এখন অনেক কম বিক্রি হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে আমরা যে বিক্রি করি, এখন তার ৩০ শতাংশের মতো বিক্রি হচ্ছে। এতে মসলার দাম কমে যাচ্ছে। ফলে ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসায়ী লোকসানের মধ্যে পড়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ বেড়ে যওয়ায় সরকার কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে। এ কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুব বেশি সময় খোলা রাখা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতি কতদিন থাকবে তা কেউ বলতে পারে না। সরকার সবকিছু স্বাভাবিক সময়ের মতো খুলে দিলেও আমাদের বিক্রি বাড়বে এ কথা বলা যাচ্ছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page