1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য খোকসায়  ইউপি সদস্য গুলিবিদ্ধ, সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেফতার জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা এটা আমরা মানি না খেজুরতলা পাটিকাবাড়ী হাইস্কুলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আলোচনা সভা কুষ্টিয়ায় সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে এক সাথে দুই নারীর বিবাহ সম্পন্ন এদেশের মাটিতে আর কোন চক্রান্ত হতে দেয়া হবে না শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে শহরের ৮নং ওয়ার্ডে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমনের দাবিতে ইবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ কুমারখালীতে আ.লীগের একাংশের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ কুমারখালীতে জটিল রোগীদের মাঝে চেক বিতরণ

কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে বেড়েছে মানুষের চলাচল

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৩ মোট ভিউ

 

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধে তৃতীয়দিন চলেছে অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে। গণপরিবহন না থাকলেও রিকশা-ভ্যান ও সিএনজিতে যাততায়াত করেছেন অনেকে। আবার তাদের অনেককেই মাস্ক ছাড়া বের হলেও সতর্ক করতে দেখা যায়নি। গতকাল শনিবার রাজধানীর শনির আখড়া, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, সায়দাবাদ এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব এলাকার মূল সড়কে মানুষ যত্রতত্র চলাচল করলেও কোনো কড়াকড়ি দেখা যায়নি। আর যাত্রাবাড়ী-সায়দাবাদ সড়কে সিএনজি-প্রাইভেটকার চলাচল করলেও কোনো প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। দেখা গেছে, শনির আখড়া-কাজলা সড়কে চেকপোস্টের কারণে গাড়ির চাপ কিছুটা কম। কিন্তু রিকশার চাপে কিছুকিছু জায়গায় জটলা বেধে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে ভ্যানযোগেও যাত্রা করছেন। মাঝে মাঝে বাইক-সিএনজি আসলেও নানা অজুহাতে তারা যেতে পারছেন। তবে কাজলা থেকে যাত্রাবাড়ী নিচের সড়ক ভাঙা থাকায় যানজট লক্ষ্য করা গেছে। চালকরা বলছেন, যাত্রাবাড়ীতে যাওয়ার এই সড়কটির এমন বেহালদশা অনেকদিন ধরেই। যতো দিন যাচ্ছে ততো গর্ত বাড়ছে। এভাবে চলাচল করা একদিকে যেমন ঝুঁকির অন্যদিকে যানটেরও সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পুলিশ বলছে, সকাল থেকে রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা। যারা বের হচ্ছেন নানা অজুহাত দেখাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে যৌক্তিক কারণ পেলেই ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কিছু যানবাহনে থাকা যাত্রী ও চালক যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রিকশাযোগে যাত্রা করা সুমাইয়া আশরাফ জানান, আমার বড় বোন অসুস্থ, তাই শনির আখড়া থেকে বাসাবো যাচ্ছি। কোনো পরিবহন না থাকায় রিকশায় রওনা হয়েছি। তবে রাস্তায় কেউ আটকায়নি। আমাকে আটকালেও যৌক্তিক কারণ তো আছে, আমি তো ঘুরতে বের হইনি। এই সময়ে কেউ ঘুরতে বের হয় না। এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় যাত্রাবাড়ীতে ২৫ জনকে জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্ক না পরা, বিধিনিষেধ অমান্য করে বের হওয়া, গণপরিবহন বন্ধ থাকার পরও বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে লোক নেয়ায় অনেক গাড়ি ও পিকআপ চালককে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহনাজ হোসেন ফারিবা। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত যাওয়ার পর যাত্রাবাড়ীতে আর কোনো কঠোরতা দেখা যায়নি। তবে গতকাল শনিবার রাজধানীর মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ, জাতীয় প্রেস ক্লাব ও পল্টন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বেশিরভাগ এলাকাই প্রায় জনশূন্য। কঠোর লকডাউনের তৃতীয়দিনে সকালের দিকে রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ছিল ফাঁকা। সরকারি নির্দেশনা মেনে সড়কে বের হয়নি সাধারণ মানুষ। শুধুমাত্র জরুরি সেবার আওতায় অ্যাম্বুলেন্স, স্বল্পসংখ্যাক প্রাইভেট পরিবহন, পিকআপ ও রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। এ সময় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। সবগুলো স্পটে পুলিশের নজরদারি ছিল। কয়েকটি স্পটে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করতেও দেখা গেছে। রাজধানীর বাংলামোটরে এক রিকশাচালক বলেন, মানুষ নেই, ক্ষ্যাপও (ভাড়া) নেই। সকাল থেকে মাত্র একটা ক্ষ্যাপ পাইছি। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ জুলাই থেকে আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর লকডাউন আরোপ করেছে সরকার। এ সময় জরুরিসেবা দেয়া দপ্তর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে। গত ৩০ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রজ্ঞাপন অনুসারে যারা চলাচল করতে পারবেন তারা হলেনÑআইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার‌্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ¦ালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম, বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাকসেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page