1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের করোনাভাইরাসে মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে সংক্রমণ পাংশায় কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ রোভিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া ট্রমা সেন্টারের সাথে ইবি কর্মকর্তা কুষ্টিয়া পরিষদের স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর কালুখালীতে ইউএনও সহ অন্যান্য অফিসারদের সাথে প্রাঃ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কালুখালীতে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি নিয়োগ আলমডাঙ্গায় একজন কিডনি আক্রান্ত রোগিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান কুমারখালীর পশুহাটে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় কুষ্টিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত

কুমারখালী ঝাড়ু পল্লী পরিদর্শন করলেন ইউএনও

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৭ মোট ভিউ

 

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার এলংগী পাড়ায় বংশ পরম্পরের ঐতিহ্য হিসেবে প্রায় শতবছর ধরে শতাধিক পরিবার সন্তানের মতই বুকে আগলে রেখেছে ঝাড়ু শিল্পকে। আঞ্চলিক ভাষায় এটাকে বারুন বলা হয়। বারুন বা ঝাড়ু পল্লী হিসেবেই বেশি পরিচিত এলাকাটি। কিন্তুু ঝাড়ু বা বারুন তৈরিতে এই এলাকার শত বছরের ঐতিহ্য থাকলেও মেলেনি কুটির শিল্প হিসেবে বিসিকের স্বীকৃতি। সহযোগীতার হাত বাড়ায়নি সরকারি বা বেসরকারি কোন সংস্থা। ফলে তাদের ভাগ্যের বদলও ঘটেনি। শুধু তাই নয়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কোন প্রণোদনাও জুটেনি তাদের ভাগ্যে। ঝাড়ু পট্টি কারিগরদের এমন দুঃখ দুর্দশার খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল। তিনি প্রায় ২০টি ঝাড়ু কারিগর বাড়ি ও কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকা ঘুরে জানা গেছে, প্রায় শত বছর আগে ইসমাইল নামের একজন কারিগর এই অঞ্চলে প্রথম শুরু করেছিল ঝাড়ু বা বারুন তৈরির কাজ। এরপর ইসমাইলের ছেলে সেলিম ও তার ছেলে কালামের হাত বদলিয়ে বংশ পরম্পর চলে আসছে এই শিল্পটি। যান্ত্রিক যুগে ঝাড়ু বা বারুনের বিকল্প যন্ত্র তৈরি হলেও এই এলাকার প্রায় শতাধিক পরিবার এখনও আগলে রেখেছে শিল্পটি। আরো জানা গেছে, ঝাড়ু বা বারুন তৈরির প্রধান কাঁচামাল ছনখড় এখানকার কারিগরদের দূরদুরান্ত হতে কিনে আনতে হয়। বছরের চৈত্র, বৈশাখ মাসসহ বছরে মাত্র কয়েকমাস পর্যাপ্ত ছনখড় পাওয়া যায়। কিন্তু সারাবছর কাজ চলমান রাখার জন্য কাঁচামাল কিনে মজুদ রাখতে হয়। এখানকার কারিগররা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় পর্যাপ্ত কাঁচামাল কিনে মজুদ করতে পারেনা। অনেকে বে-সরকারি বা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কাঁচামাল সংরক্ষণ করে। কিন্তু সেখানে অধিক সুদ হওয়ায় প্রতিবছর ঋণ নিয়ে কাঁচামাল মজুদ করা সম্ভব হয়না।

মূলত বাসাবাড়ি কিংবা অফিস, হোটেল বা রেস্টুরেন্ট, রাস্তাঘাটসহ সব স্থানে পরিস্কার পরিছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয় হাতে তৈরি ঝাড়ু বা বারুন। এটাকে এক প্রকার কুটির শিল্পও বলা হয়। এই শিল্পের প্রধান কাঁচামাল ছনখড়। যা প্রাকৃতিক উপায়ে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বেশি জন্মে। নদী এলাকা ছাড়াও কৃষকের পতিত উচু ভূমিতেও দেখা মেলে ছনখড়ে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিতান কুমার মন্ডল বলেন, ‘প্রায় শতাধিক পরিবার শতবছর ধরে এলংগী এলাকায় ঝাড়ু তৈরির কাজ করছে। উদ্যোক্তার খোজে এলাকা ও তাঁদের কাজ পরিদর্শন করেছি। তাঁদের ভাগ্যবদলে ও কাজটিকে আধুনিক করতে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা হবে।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page