1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :

কুষ্টিয়ায় আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

 

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ কাজ করছিল নুরে আলম সিদ্দিকি নোমান গং। গতকাল ১৭ মে পুলিশ গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের দাদাপুর সড়ক পুলিশ লাইনের সামনে একটি জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। যা সমাধানে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খোর্দ্দ আইলচারা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোঃ ইমারত আলী কুষ্টিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার স্মারক নংঃ অঃ জেঃ ম্যাঃ আঃ/৯৫৪ তারিখ ১৪ মে ২০২৩ খ্রিঃ এবং কুষ্টিয়া মিস কেস নং-৪১৬/২৩। এছাড়াও কুষ্টিয়া মৌজাঃ আর এস ২৪নং হরেকৃষ্ণপুর, আর এস খারিজ খং খং ৬৫০ আর এস দাগ ৫১৭ জমিতে শান্তি- শৃংখলা বজায় রাখতে মহামান্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারা আবেদন করেন। এতে ২য় পক্ষ করা হয় কুষ্টিয়া শহরের দাদাপুর সড়ক পুলিশ লাইনের সামনে মৃত আজগর আলী মন্ডলের ছেলে নুরে আলম সিদ্দিকি নোমানকে। উপরোক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ বিচারক ২য় পক্ষকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করেন এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নালিশী সম্পত্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ শান্তি- শৃংখলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আদেশ দেন। এতে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হয় ৪ জুন ২০২৩ ইং তারিখে। কিন্তু নিজেকে ক্ষমতাধর মনে করা নুরে আলম সিদ্দিকি নোমান ও তার ভাই সাইদুল ইসলাম টুকু আদালতের আদেশকে অমান্য করে ওই জমিতে দোকান ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ বুধবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকান নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলেন। এসময় শহরের কমলাপুর এলাকার সাইদুল ইসলাম টুকু (নুরে আলম সিদ্দিকি নোমানের ভাই) ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের কাজে বাঁধার সৃষ্টি করে। সে তখন উগ্র ভূমিকায় ছিলেন। সাইদুল ইসলাম টুকু তখন পুলিশের সামনেই বলতে থাকেন ‘পুলিশ ছাড়া এখানে কাজ বন্ধ করতে আসতো, ওদের দেখে নিতাম’। এসময় তাকে পুলিশকে উদ্দেশ্যে করে বলতে দেখা যায় ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আমার ভাইয়ের দুই জামাই পুলিশের চাকরি করে। তারা এই দোকান নির্মাণ কাজ করাচ্ছে’। নুরে আলম সিদ্দিকি নোমানের ভাবী ফাহিমা বলেন, ওই দোকান ঘর নির্মাণ কাজ আমি করাচ্ছি। সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা আছে। তবুও আপনি নির্মাণ কাজ করাচ্ছেন কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জায়গায় আমি দোকান নির্মাণ করছি এতে কার কি? আমার ¯স্বামী মৃত্যুর পূর্বে এই জায়গা আমার দুই মেয়ের নামে দিয়ে গেছে। আমার দুই জামাই পুলিশে চাকরি করেন। এদিকে একাধিকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই জমিতে এখন যদি কোন পক্ষ কিছু করতে যায় তবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com