1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফল: ব্যবসা উন্নয়ন সূচকে উন্নতি, তবে গতি শ্ল­থ দৌলতপুরে মাহিম ফ্যাশান লিমিটেড গোল্ডেন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত বিনামুগ-১১ চাষে সফল হচ্ছেন কৃষক মিত্র ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে সীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ হালসা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কুষ্টিয়ায় হ্যালো বিডি নিউজ টোয়েন্টি ফোর ডট কমের শিশু সাংবাদিকতায় কর্মশালা কুষ্টিয়ায় বিলুপ্ত প্রজাতির ৪টি চন্দনা টিয়া উদ্ধার বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলামের সাথে দৌলতপুর বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন স্বাক্ষাত কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ ইনকের উদ্দোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ভাসমান বেদে পল্লীতে ইবি বুননের সহায়তা

কুষ্টিয়ায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৯ জন

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ২০৩ মোট ভিউ

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া শহরের পাশাপাশি এবার জেলার গ্রাম অঞ্চলের দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মরন ভাইরাস করোনা। জেলার প্রতিটি উপজেলায় প্রতিদিন বাড়ছে শনাক্তের সংখ্যা। এদিকে গতকাল বুধবার জেলায় আরো ১৩৯ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদিন মারা গেছেন আরও চারজন মানুষ। গতকাল বুধবার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবে মোট ৪৩৫ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৩৯টি নমুনা পজিটিভ আসে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রায় ৩১ শতাংশ। গতকাল রাতে জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন রোগীর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ১৯ জন, কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলায় ২৯ জন করে, ভেড়ামারা উপজেলায় ১২ জন, খোকসা উপজেলায় ১৬ জন এবং মিরপুর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৫ জন শনাক্ত হয়েছে। কুষ্টিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন সদর উপজেলা, দুইজন মিরপুর ও একজন ভেড়ামারার বাসিন্দা ছিলেন। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগী শনাক্ত হলো ৬৮০২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫১৫৯ জন। এখন পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন ১৬৬ জন। প্রসঙ্গত, বরাবরই সদর উপজেলা তথা কুষ্টিয়া শহরে এতদিন শনাক্তের হার বেশি ছিল। তবে গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলা সদরের পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা তথা গ্রামাঞ্চলেও প্রচুর রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে গ্রামের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার হার কম হওয়ায় সেখানে দ্রুত এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এদিকে, জেলা প্রশাসন সর্বাত্মক লকডাউন এর ঘোষণা দিলেও এর মধ্যেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে আড়াইশো শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সরা।
এদিকে রোববার দিবাগত রাত বারটা এক মিনিট থেকে পুরো জেলা জুড়ে চলছে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। মানুষকে ঘরে রাখতে সোমবার ভোর থেকেই মাঠে তৎপর রয়েছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। গতকাল বুধবার লকডাউনের তৃতীয় দিনেও জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশ মুখে পুলিশ সদস্যদের কড়া পাহারা চলছে। জেলায় সবধরনের (অত জরুরি সেবা বাদে) যানবাহন বন্ধ রয়েছে। মাঠে ম্যাজিষ্ট্রেটের ভ্রাম্যমান নামানো হয়েছে। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ছয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ জেলা প্রশাসনের ম্যাজিষ্ট্রেটদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠেই আছে। মানুষকে ঘরে রাখতে আইন প্রয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host

You cannot copy content of this page