1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শিরোনাম :
সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে কেউ টিকে থাকতে পারবেন না : কামারুল আরেফিন এমপি  মায়ের ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্র্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল বীর বাঙালি জাতির বীরত্বের গৌরবগাঁথা অধ্যায় : ডিসি এহেতেশাম রেজা ২১ কিমি দৌড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ ইবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত মেহেরপুরে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস : কুষ্টিয়ায় সমকাল সুহৃদ সমাবেশের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা কুমারখালীতে যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউ.এস.এ ইনকের মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন আলমডাঙ্গায় যথাযথ মর্যাদায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কালুখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

কুষ্টিয়ায় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সংবাদ সম্মেলন

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

 

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় ‘কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় চাই’ ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবিসমূহ আদায়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টাই কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলন টি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় লিখিত বক্তব্যে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক  কুষ্টিয়া সরকারি সেন্ট্রাল কলেজের অধ্যক্ষ আজমল গনি বলেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অন্যতম বৃহৎ ক্যাডার সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের নানা ক্রান্তিকালে সবসময় আপনাদের আমরা সাথে পেয়েছি। এজন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বর্তমান সময়ে শিক্ষা ক্যাডার আবারও বেশ প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পড়েছে। সে প্রতিকূলতা দূর করার ক্ষেত্রে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আমরা আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ, আপনারা জানেন, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা নিয়ন্ত্রণের জন্য শিক্ষা ক্যাডার সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও শিক্ষা ক্যাডারকে বিশেষায়িত পেশা হিসেবে গড়ে তোলা হয়নি। বঞ্চনা আর বৈষম্যের মাধ্যমে এ পেশার কার্যক্রমকে সংকুচিত করা হয়েছে। এ পেশাকে গ্রাস করছে অদক্ষ অপেশাদাররা যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শনের পরিপন্থী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যেসকল অভীষ্ট নির্ধারণ করেছে সেগুলো অর্জনে তিনিও শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে তাই তিনি স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতির পিতার দর্শনের বাস্তবায়ন। যিনি শিক্ষা প্রশাসন পরিচালনায় শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব প্রদানের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন, একই ব্যবস্থা গ্রহণ বর্তমান বাস্তবতায় সবচাইতে প্রাসঙ্গিক। তাই জরুরিভাবে প্রয়োজন একটি দক্ষ, যুগোপযোগী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা। শিক্ষায় জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে উপজেলা, জেলা, অঞ্চলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তর, অধিদপ্তর ও প্রকল্পসমূহ পরিচালনায় শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ সময়ের দাবি। ইঈঝ (এবহবৎধষ ঊফঁপধঃরড়হ) ঈড়সঢ়ড়ংরঃরড়হ ধহফ ঈধফৎব ৎঁষবং ১৯৮০ মোতাবেক দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা স্তরের শিক্ষা প্রদান, পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাডারের কার্যপরিধি ব্যাপৃত। প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা স্তর সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের নবম গ্রেডের উপরে সকল পদ শিক্ষা ক্যাডারের তফসিলভুক্ত। এসব পদে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা বাদে অন্য কারও পদায়নের সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্যাডারের তফসিলভুক্ত পদ থেকে শিক্ষা ক্যাডার বহির্ভূতদের অপসারণের দাবী জানিয়েছি কিন্তু সেটি করা হয়নি। উপরক্ত আমরা লিখিতভাবে আপত্তি জানাবার পরেও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের তফসিলভুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৫১২ টি পদ শিক্ষা ক্যাডারের তফসিল বহির্ভুত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি সুস্পষ্টতই শিক্ষা ক্যাডারের অস্তিত্বের উপর আঘাত। আমরা এসকল কর্মকা কে সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামীল মনে করি । শিক্ষা ক্যাডারকে আকারে রেখে এই দিন করার এখতিয়ার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই। আমরা শিক্ষা এবং শাতিলের দাবী করছি।শিক্ষার রূপান্তরের অন্যতম কারি শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ। তাঁরাই প্রণয়ন করেছেন নতুন শিক্ষাক্রম, এর বাস্তবায়নের তারাই অন্যতম শক্তি। শিক্ষা ক্যাডারের ১৬ হাজার কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের মিশন-২০৪১ তথ্য দুটি বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রাপ্য অধিকার ও সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোন কারণ ছাড়াই পদোন্নতি আছে এই মুহুর্তে শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তার সংখ্যা হাজারের বেশি। এর মধ্যে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য ১৯০০ জন। সহযোগী অধ্যাপক পদোন্নতি যোগ্য ৩০০০ জন, সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য কর্মকর্তা আছেন প্রায় ৩০০০ জন। এই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য সরকারের কোন অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন নেই। সবাই পদোন্নতিযোগ্য পদের বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছেন। কাডার সার্ভিসে শূন্য পদ না থাকলে পদোন্নতি দেয়া যাবে। না এমন কোন বিধান নেই। অথচ, শিক্ষা ক্যাডারকে শূন্য পদের অজুহাতে পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল ক্যাডারের জন্য সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতি দিয়ে ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের নির্দেশনা দিলেও তা পালিত হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেষ হাসিনা আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের নির্দেশ দিয়েছেন বারবার। কিন্তু সে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। অন্য ক্যাডারের মত শিক্ষা ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক প্রগতি অনুসৃত না হওয়ায় অন্যান্য ক্যাডারের তুলনায় শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ পিছিয়ে আছেন। বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য কর্মকর্তাগণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে ১ বছর পূর্বে। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে জনবলের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। পূর্বের তুলনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেড়েছে, শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে, সিলেবাস কোর্স বেড়েছে কয়েকগুন। কিন্তু সে তুলনায় পদ সৃজন হয়নি । বর্তমান শিক্ষা ক্যাডার নিয়ন্ত্রিত সরকারি কলেজসমূহে উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ স্তরে প্রায় ৫০ লক্ষ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষকের পদ সৃজন অপরিহার্য। অথচ বর্তমান সরকারি কলেজসহ শিক্ষা প্রশাসনে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার সংখ্যা মাত্র ১৬ হাজার। শিক্ষার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাতে ১২৪৪৪ ট পন সুজনের প্রস্তাব আটকে আছে দীর্ঘ ৯ বছর। শিক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবারে ৪র্থ গ্রেডের উপর কোন পদ নেই। অন্য ক্যাডার কর্মকর্তারা পঞ্চম গ্রেড হতে তৃতীয় প্রেতে পনোতি পান। কিন্তু শিক্ষা কাভারে সর্বোচ্চ পম অধ্যাপক পদটি চতুর্থ গ্রেড হওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের পঞ্চম গ্রেড হতে তৃতীয় রোডে পদোলতির সুযোগ নেই। চতুর্থ গ্রেডেই আটকে থাকছেন। অধ্যাপক পদটি তৃতীয় প্রেডে উন্নীত করা এবং আনুপাতিক হারে প্রথম ও এর গ্রেডের পদ সৃষ্টি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ২০১৫ সালে নতুন পে স্কেলে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যাডার হচ্ছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ তে অধ্যাপকদের ৩য় গ্রেডে (সিলেকশন গ্রেড) উন্নীত হওয়ার সুযোগ রহিত হয়ে ৪র্থ গ্রেডে অবনমন ঘটে। বিষয়টি সেসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি তৎকালীন কর্মমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটি ও মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে আরেকটি কমিটি গঠন করো দ্রুততার সাথে নতুন পে-স্কেলের মাধ্যমে সৃষ্ট সমস্যাসমূহ সমাধানের নির্দেশ দেন। এ কমিটিসমূহের সুপারিশে শিক্ষা ক্যাডারের অধ্যাপক পদমর্যাদাসম্পন্ন পদসমূহের মধ্যে ৪২৯টি পদ তৃতীয় গ্রেডে উন্নতি করার প্রক্রিয়া হয়। শিক্ষা ক্যাডারকে অবকাশমুক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে দুইদিন ছুটি ভোগ করে। আবার অন্য বিষয়ে অবকাশকালীন ছুটি বছরে ৫০ দিন ভোগ করে। তাতে দেখা যায় বছরের প্রায় ৫০% সময় ক্লাস বন্ধ থাকে। উপাত্ত উচ্চ ভবিদ্যালয়ের পরীক্ষা সব মিলিয়ে সারা বছরে শ্রেণি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সিলেবাস শেষ হবে না। অন্যদিকে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকতারা। আকাশ বিভাগে কর্মরত বিষয়ে অর্জিত ছুটি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং অবসর গ্রহণকারী সময়ে ১০-১৫ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুদ্দীন হচ্ছেন। ২০১২ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্জিত ছুটির বিষটি একমাসের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ দেন। কিন্তু প্রশাসনের কর্মীর সেটি এখনও আলোর মুখ দেখেনি। করলেই উভয় সম শিক্ষা ক্যাডারকে ননভ্যাকেশন করলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হলো শিক্ষা। প্রশাসনসহ অন্যান্য সেক্টরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অফিস রয়েছে। কিন্তু,জেলা ও উপজেলায় শিক্ষা ব্যবস্থা নিতেন ও পরিচলনের জন্য শক্তিশালী শিক্ষা প্রশাসন গড়ে ওঠেনি। বর্তমান সরকার প্রতিটি উপজেলায় এক বা একাধিক কলেজ সরকারি করেছে, সেখানে উচ্চশিক্ষা চালু আছে। উপজেলায় ও জেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থাকলেও উচ্চ শিক্ষা দেখভালের জন্য কোন কর্তৃপক্ষ নেই। দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে শিক্ষা ক্যাডার নিবন্ধিত জেলা ও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসন প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। শিক্ষা ক্যাডারের উল্লিখিত দাবিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই অনেক পুরাতন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সরকারের কর্তৃপক্ষের দুই আকর্ষণ করেছি। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারের দাবিগুলো পূরণ হয়নি। একারণে দাবী জানাচ্ছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কেন্দ্রটি কমিটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে,  আগামী ০২ অক্টোবর ২০২৩ সারা দেশে একদিনের কর্মবিরতি পালন করা হবে,শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবি পূরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আগামী ১০, ১১ ও ১২ অক্টোবর টানাতিন দিনের কর্মবিরতি পালন করা হবে। (সারাদেশের সরকারি কলেজ, সরকারি মাদ্রাসাসহ সকল দপ্তর ও অধিদপ্তরে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবেন। আমলা কলেজের অধ্যক্ষ বাচ্চা জাহাঙ্গীর এরসভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড.আমিনুল হক, মহিলা কলেজের শিক্ষক মোশারফ হোসেন, সেন্ট্রাল কলেজের শিক্ষক তৌফিক আহমেদ ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ সহ অন্যান্যরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com