1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শিরোনাম :
সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে কেউ টিকে থাকতে পারবেন না : কামারুল আরেফিন এমপি  মায়ের ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্র্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল বীর বাঙালি জাতির বীরত্বের গৌরবগাঁথা অধ্যায় : ডিসি এহেতেশাম রেজা ২১ কিমি দৌড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ ইবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত মেহেরপুরে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস : কুষ্টিয়ায় সমকাল সুহৃদ সমাবেশের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা কুমারখালীতে যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউ.এস.এ ইনকের মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন আলমডাঙ্গায় যথাযথ মর্যাদায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কালুখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

কুষ্টিয়ায় ভ্যাপসা গরম ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতীষ্ঠ : বেড়েছে হাত পাখার কদর

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩

 

শরীফুল ইসলাম ॥ এমনিতেই তীব্র ও ভ্যাপসা গরম, তার ওপর বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম অস্বস্থি। এই অস্বস্থি ও দূর্বিসহ গরম থেকে সাধারণ ও নি¤œ আয়ের মানুষের রক্ষা পেতে হাতপাখা এখন ভরসা। তাইতো এই গরমে আরাম পেতে কুষ্টিয়ায় বেড়েছে হাত পাখার কদর। আর এ হাতাপাখা তৈরী করে দুই শতাধিক পরিবারের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতাও। গ্রীষ্মের মাঝামাঝি জ্যৈষ্ঠের শেষে তীব্র ও ভ্যাপসা গরমে সাধারণ জনজীবন দূবিসহ হয়ে পড়েছে। এরপর আবার বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। এ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘা। তবে কিছুটা হলেও স্বস্থি দিচ্ছে তালপাতা দিয়ে তৈরী হাতপাখা। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের দুই শতাধিক পরিবার এ কাজের সাথে জড়িত। শহরের মানুষ কিছুটা বিদ্যুতের সুবিধা পেলেও গ্রামের সাধারণ মানুষ তা থেকে রয়েছে অনেকটাই বঞ্চিত। দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা লোডশেডিং হওয়ায় তারা গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে হাতপাখা এখন তাদের শেষ ভরসা। তীব্র গরমে শিশুসহ সব বয়সীদের বেড়েছে নানা ধরনের রোগ। বৃষ্টি না হওয়ার কারনে তীব্র গরমে জনজীবনে এখন দূর্বিসহ অবস্থায় রয়েছে। গরমে সবচেয়ে কষ্টে আছে নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। তীব্র তাপদাহ ও অসহ্য গরমে তারা দিনমজুরি দিতে না পারায় গরমের সাথে জীবন যাপনও দূবিসহ হয়ে পড়েছে। দৌলতপুর উপজেলার পাখিভ্যান চালক সফিউল ইসলাম জানান, রোদের কারনে এখন আর কেউ পাখি ভ্যানে চড়তে চাইনা। সারা দিনে মাত্র ১৫০টাকা থেকে ২০০টাকা আয় হয়। এ আয় দিয়ে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। এদিকে তালপাতার তৈরী হাতপাখা গ্রীষ্মের সময় এর কদর বাড়ে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ না থাকলে হাতপাখার খোঁজ হয়। আর এই হাতপাখা তৈরী ও বিক্রয় করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও সংসার পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রতিটি হাতপাখা বিক্রয় হয়ে থাকে ১৫-২০টাকায়। এমনটাই জানিয়েছেন কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের হাতপাখা তৈরীর কারিগররা। হাতপাখা তৈরী করে এক একটি পরিবার গড়ে একহাজার টাকা থেকে একহাজার দুইশত টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। তালপাতা দিয়ে তৈরী হাতপাখা একটি গ্রামীণ ঐতিহ্য। এ ঐতিহ্যকে যারা ধরে রাখেন বা সংরক্ষণ করেন তারা সকলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। এ উদ্যোক্তাদের বাজার সম্প্রসারণসহ বিভিন্নভাবে সহায়তাও দিয়ে থাকেন প্রশাসন। এমটাই জানিয়েছেন কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিতান কুমার দন্ডল। গরমের অস্বস্থি থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন পড়ে তালপাতা দিয়ে তৈরী মাত্র ২০টাকার হাতপাখার শীতল পরশ। যা একটি গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ। এটা সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতার।

 

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com