1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শিরোনাম :
মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা নির্বাচনে চুড়ান্ত প্রার্থী প্রকাশ চ্যাপম্যান ঝড়ে সমতায় নিউজিল্যান্ড অবিচারের শিকার হয়েছে বার্সা: জাভি মোস্তাফিজ ভাইয়ের প্রতিটা বল দেখি: শরিফুল ইসরায়েলি সেনা ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হবেন ২০ লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষ : আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সই হবে ৫ চুক্তি-সমঝোতা আরো ৩ দিনের সতর্কবার্তা বাড়তে পারে তাপমাত্রা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী কুমারখালীতে বৃষ্টির আশায় ইস্তিসকার নামাজ আদায়

কয়লা সংকটে পুরোপুরি বন্ধ পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র লোডশেডিং কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩

 

ঢাকা অফিস ॥ কয়লা সংকটে সোমবার (৫জুন) দুপুর ১২টা থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোমবার থেকে কয়েকগুণ বেশি লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কয়লা সংকটের কারণে ২৫ মে থেকে একটি ইউনিট বন্ধ হয়েছিল, দ্বিতীয় ইউনিটটিও সোমবার বন্ধ হয়ে গেল। এতে পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দেবে। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সমগ্র বরিশাল ও খুলনা এবং ঢাকার কিছু অংশের জন্য বিদ্যুতের নির্ভরযোগ্য উৎস ছিল। এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলা চার থেকে পাঁচ বার লোডশেডিং হয়ে থাকে পটুয়াখালী জেলায়। একদিকে গরমে অতিষ্ঠ মানুষজন অন্যদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ১৩ হাজার থেকে সাড়ে ১৩ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে প্রায় ১২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ৩ হাজার ৪৪০ মেগাওয়াটের বিপরীতে গড়ে ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করছে। আর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৭০০ থেকে ১ হাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। আর এতে প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা পোড়ানো হচ্ছে। জানা যায় যে, বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি ও চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা হতো। পরে দুই প্রতিষ্ঠানের সমান মালিকানায় বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) নামে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। বিগত দিনে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রকে ৬ মাস বাকিতে কয়লা দিয়েছে সিএমসি। পরে আরও ৩ মাসের বকেয়াসহ ৯ মাসে বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় অন্তত ৩৯ কোটি ডলার। এই বকেয়া ডলার সংকটের কারণে পরিশোধ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। যে কারণে চীন থেকে কয়লা আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ডলার সংকট মেটাতে কয়েক দফা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেও সমাধানে আসতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। পটুয়াখালী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, পটুয়াখালী জেলায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১৩ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় সেখানে আমরা প্রতিদিন গড়ে ১০ মেগা ওয়াটের মত বিদ্যুৎ পেয়ে থাকি। এজন্য রোটেশন করে চালাতে গিয়ে কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে। চাহিদা মত বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে তাহলে আর লোডশেডিং হবে না। পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, শাহ আব্দুল হাসিব বলেন, কয়লা সংকটের কারণে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে দুপুর ১২টা নাগাদ। ডলার সংকটের কারণে এই কয়লার সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কয়লা আনার জন্য এল সি খোলা হয়েছে। আশা করছি এই মাসের শেষের দিকে কয়লাবাহী প্রথম জাহাজ তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে এসে পৌঁছাবে। তখন আবার চালু হবে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com