1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা এটা আমরা মানি না

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ১৭ মোট ভিউ

 

নিজ সংবাদ ॥ গতকাল বৃহঃবার ১৮ অগাস্ট বিকেল ৪ টায় কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন খাঁনের সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামীলীগের সধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর তত্ত্বাবধায়নে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাংসদ এবং কেন্দ্রী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শেখ হাসান মেহেদী, জেলা অওয়ামীলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান বুলু, জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক খন্দোকার ইকবাল মাহমুদ, জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ডা. আমিনুল হক রতন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ স ম আখতারুজ্জামান মাসুম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি তাইজাল আলী খাঁন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা এবং দৌলতপুর উপজেলা আওামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শরীফ উদ্দীন রিমন।  আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোমিনুর রহমান মোমিজ  জেলা মহিলালীগের সভাপতি জেবুন নেসা সবুজ, জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক তরুন  মোস্তফা, জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি মুকুল হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মাঞ্জিয়ার রহমান চঞ্চল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান অনিক এবং জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ সহ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতা কর্মিরা। পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা তার বক্তব্যে বলেন, আজকে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠন ঐক্যবদ্ধ। শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে সূর্যের আলোর মতো আলোকিত করেছেন। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। শেখ হাসিনা ও মাহাবুব উল আলম হানিফের হাতকে আরো শক্তিশালী করে আমরা উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে চাই। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ বলেন, ১৯৭৫ সালে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিলো। আমি জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান সহ তার পরিবারের সকলকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করি। জামায়েত বিএনপি জোট তারা এই দেশের অস্তিত্বে কোন কালেই বিশ^াস করে নাই, তারা বাংলাদেশের স্বাধিনতায় বিশ^াস করে না, তারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ^াস করে না। যারা এই দেশের স্বাধিনতার বিরোধীতা করেছিলো বিএনপি ন্যাক্কারজনক ভাবে তাদের কে জাতীয় পতাকা দিয়ে জাতিকে অপমান করেছে। আজকে আবারো তার আগের মতো চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রায় ২০ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তারা সাফল্য পায় নাই, তারা সফল হতে পারবেও না। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভিষন ২০৪১ ঘোষনা করছে। তাই সমস্ত নেতা কর্মি ঐক্যবদ্ধ ভাবে ভিষন ২০৪১ সফল করতে হবে। জেলা আওয়ামীলীগের সধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী তার বক্তব্যে বলেন, এই মাস শোকে মাস। আমাদের প্রতিজ্ঞা করে শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন এবং স্বাধীন করেছেন। সেই দেশেই জাতির পিতাকে হত্যা স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে আপোষ হবে না, শেখ হাসিনা আপোষ করে নাই। আমাদের নতো হানিফ আপোষ করেন নাই। আমরা সেই সময় রাজ পথে মিছিল করেছিলাম কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই, গোলাম আযমের ফাঁসি চাই। তাদের ফাঁসি ইতিমধ্যে কর্যকর হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামীলীগকে আরো শক্তিশালী করে তুলবো। আওয়ামীলীগের ইতিহাস আছে। আওয়ামীলীগ ক্যান্টনমেন্ট থেকে হয় নাই। আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগের জন্ম, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নাই। জিয়াউর রহমান একজন বেঈমান, নিমোক হারাম। আমরা আপোষ করি নাই। আমরা আপোষ করতে জানিনা। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন খাঁন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় আগত নেতা কর্মিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের হাত শক্তিশালী করার জন্য আপনারা পাশে থাকবেন এবং দোয়া করবেন। শেখ হাসিনা এবং মাহাবুব উল আলম হানিফের হাতকে শক্তিশালী করে আমাদের সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। বিএনপি জামাতের র্দূশাসনের সময় এদেশের মানুষ অন্যায় অত্যাচারের মধ্যে আবদ্ধ ছিলো। সেখান থেকে শেখ হাসিনা আমাদের মুক্তি দিয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান দেশকে সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। আজ জাতীয় শোক দিবসে আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তোলার জন্য। আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুঁনিদের জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার শাসন আমলে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিলো। পুরস্কৃত করা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর খুঁনিদের দেশের বড় বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধুর খুঁনিদের সাথে জড়িত না থাকতেন তাহলে কেন বঙ্গবন্ধুর খুঁনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধুর খুঁনের  সাথে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলো। নেপথ্যে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলো। সে পাকিস্থানের হয়ে কাজ করেছিলো। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান যে পাকিস্থানের এজেন্ট ছিলো উনি তার একাধিক প্রমাণ রেখে গেছেন। যুদ্ধের সময় যেই জামায়েত ইসলাম খুন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগের মত জঘণ্যতম কাজ করেছিলো। এদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিলো। জিয়াউর রহমান জামায়েত ইসলামকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়ে ছিলেন। জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা এটা আমরা মানি না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page