1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও সেবার জন্য প্রস্তুত নয় হাসপাতালগুলো করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ চন্দ্রিমা ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি জাকির, সম্পাদক মুন্সী তরিকুল বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়ে কোথায় পড়বে জানেনা আবরার ফাহাদের ছোট ভাই কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু রথে চাঁদার টাকা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর ও উচ্ছেদ বিচ্ছু বাহিনীর দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পোড়াদহে খুলনা রেলওয়ে জেলার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা মহানবী (সঃ) ও তার সহধর্মীনিকে কুটক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ রোটারি ক্লাব অব কুষ্টিয়া সেন্ট্রালের সভাপতির দায়িত্বভার নিলেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে বিএনপির লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২
  • ৫ মোট ভিউ

 

ঢাকা অফিস ॥ তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে বিএনপির লাভ নেই। বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক দেশের মতো সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকার দেশ চালাবে। এ সরকারের দেশ পরিচালনাকালে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে। আন্দোলনের নামে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে তিনি কীটতত্ত্ব সমিতির ১১তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের জন্য চলতি সরকার পদত্যাগ করে আরেকটি সরকার আসে না। সেভাবেই বর্তমান সরকার দেশ চালাবে। আর নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করবে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করেও পারেনি। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত ছিল। ২০১৮ সালেও এ ধরনের কথা বলেছিল। পরে নির্বাচনী ট্রেনের পাদানিতে চড়ে নির্বাচনে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সব দলকে সঙ্গে নিয়ে জোট করে নির্বাচন করেছে। অথচ মাত্র পাঁচটি আসন পেয়েছে। এখন দাবি-দাওয়ার অজুহাত তুলছে। আসলে খালি কলস বাজে বেশি। অনর্থক বাগাড়ম্বর না করে আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে পুরোদমে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম-সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলনের কথা ১৩ বছর ধরেই শুনে আসছি। মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির নেতারা পুরুষ হয়েও নারীর বেশে বোরকা পরে আদালতে জামিনের জন্য হাজির হয়। যে নেতারা বোরকা হাজিরা দেন, তাদের ওপর নেতাকর্মীদের আস্থা নেই। তারা কতটুকু কী করতে পারবেন, তাদের হিম্মত আমরাও জানি, জনগণও জানে। বিএনপির সভা-সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না- এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তারা অনেক সময় সভা-সমাবেশের অনুমতি নেন না। সমাবেশে নিজেদের মধ্যে মারামারি করেন। এতে জনগণ আতঙ্কিত হয়। আর জনগণ আতঙ্কিত হলে সরকার তো বসে থাকতে পারে না।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সুউচ্চ ভবনের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে: সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবণতা এখন সুউচ্চ ভবন নির্মাণ। সেটা প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে। ঢাকা শহরে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান দশ-বিশ তলা ভবন চায়। কেন এত সুউচ্চ ভবন লাগবে? যেসব প্রতিষ্ঠানের বড় বড় বিল্ডিং আছে, সেগুলো তো ফাঁকা পড়ে আছে। এ প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। কৃষিজমি রক্ষার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভূমি আইন না মানার প্রবণতা শুধু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও রয়েছে। প্রয়োজনে সরকারি প্রতিষ্ঠানও সেটা মানে না। ড. হাছান বলেন, এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃষিজমি রক্ষা করা। যেভাবে প্রতি বছর কৃষিজমি কমছে এতে এ শতাব্দীর শেষে বাংলাদেশের আর কোনো কৃষিজমি থাকবে না। এত দূরেও নয়, ১০ বছর পরের অবস্থা চিন্তা করলে দেখা যাবে, তখন হয়তো আরও ২০ লাখ একর জমি কমে যাবে। কিন্তু ততদিনে আড়াই কোটি মানুষ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে। তখন কীভাবে এত মানুষকে আমরা খাওয়াবো? তিনি বলেন, সেজন্য কোনো জমির মধ্যে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে মনে বাংলাদেশের বুকে পেরেক মারা। কৃষিজমি রক্ষার আইন সবাইকে মানতে হবে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে একদম ছোট। কিন্তু উৎপাদনে বিস্ময়। যখন দেশে সাড়ে ৭ কোটি লোক ছিল, তখনো খাদ্য ঘাটতি ছিল। এখন মানুষ তিনগুণ বেড়েছে। সে তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কৃষিজমি কমেছে। এরপরও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছি। আর সেটা সম্ভব হয়েছে দেশের উর্বর ভূমি ও সরকারের প্রচেষ্টার কারণে। তিনি বলেন, সে অর্জন ধরে রাখতে হবে। এ সরকার কৃষিবান্ধব। বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা কৃষিখাতে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সেটা বন্ধ করতে প্রচেষ্টা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এ ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে বলেছিল। কিন্তু সরকার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে কৃষির ভর্তুকির এজেন্ডা নিয়ে কথা বলেছে। সেজন্যই আমরা কৃষিতে এতটা এগিয়েছি। হাসান মাহমুদ বলেন, আগে আমরা বিভিন্ন দেশের সাহায্যের জন্য তাকিয়ে থাকতাম। এখন অন্য দেশকে সাহায্য দিতে পারি। সম্প্রতি শ্রীলংকাকে আলু দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নেপালে ভূমিকম্পের সময় আমরা তাদের চাল দিয়েছি। ১০-১৫ বছর আগেও কেউ এটা কল্পনা করতে পারেনি। কীটতত্ত্ববিদদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা ফসলকে পোকামাকড়ের হাতে থেকে বাঁচান। দেশের উৎপাদন বাড়াতে আপনাদের বড় অবদান রয়েছে। তবে কীটনাশক ব্যবহারে আরও সচেতন হোন। কীটনাশকের কারণে অনেক মাছ ও প্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে। সেটা মাথায় রেখে টেকসই পরিকল্পনা করুন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরসির চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page