1. admin@andolonerbazar.com : : admin admin
  2. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :

নিচু জায়গাতে নানাবিধ সমস্যা নিয়েই চলছে খুলনা বিভাগের বৃহত্তম মধুপুরের কলার হাট

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩

 

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে কোল ঘেঁষে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মধুপুরে মাত্র ৪ বিঘা জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে খুলনা বিভাগের সর্ববৃহৎ কলার হাট। নিচু জায়গাতে হাট হাওয়ার কারনে বর্ষা মৌসুমের নানান ভোগান্তির শিকার হয় কৃষক এবং ব্যাপারীরা। এছাড়াও ট্রাক বোঝাই কলা নিয়েও মাঝে মাঝেই বিপাকে পড়তে হয় হেলপার এবং ড্রাইভারকে। দ্রুত সংস্কারের দাবী করেছেন হাটের সাথে জড়িত শ্রমিক, কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা ।

ঐতিহ্যবাহী মধুপুরে  হাটে গত ৪০ বছরের ধরে ২৪ ঘন্টা জুড়ে চলে বেচা কেনা । কুষ্টিয়াসহ আশেপাশের জেলাগুলো থেকে কলা চাষীরা তাদের উৎপাদিত কলা নিয়ে হাজির হন এই কলার হাটে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও পাবনার কৃষক এবং ব্যাপারিরা তাদের উৎপাদিত কলা নিয়ে হাজির হয় ভালো দাম পাওয়ার আশায় ।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত ব্যাপারী কলা কিনতে আসে প্রসিদ্ধ এই কলার হাটে। প্রকার ভেদে প্রতি কাধি কলা বিক্রি হয় দুই থেকে তিন হাজার টাকায়। স্থানীয় ও কলার হাটে আসা ব্যাপারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন এই কলার হাটে প্রায় কোটি টাকার কলা কেনা বেচা হয় ।

প্রতিদিন এই কলার হাট থেকে ৫০-৮০টি ট্রাকে বোঝাই করে কলা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। প্রাতি ট্রাকে ১২শ থেকে ২ হাজার কাধি পর্যন্ত কলা ধারণ ক্ষমতা । প্রতি কাধ কলা ট্রাকে লোড দিতে শ্রমিকদের দিতে হয় দুই টাকা। এই বাজারে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা প্রতিদিন ৫শত টাকা হতে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। এই বাজার থেকে কলা ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ, কুমিল¬া, চাঁদপুর এবং পঞ্চগড়সহ সমগ্র বাংলাদেশে বাজার জাত করা হয়ে থাকে ।

এই কলার হাটে উপর নির্ভর করেই গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা। বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার পরিবারের আর্থিক জোগান দিয়ে আসছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত এই কলার হাট। তবে হাটের সার্বিক উন্নয়ন করা হলে এই হাটের কুষ্টিয়াসহ আশে পাশের জেলার কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখবে আশা করেন হাট সংশি¬ষ্টরা ।

ব্যাপারী শওকত আলী জানান, যদি সরকার আমাদের এই বাজারের মধ্যের রাস্তা হেরিং করে দিতো তা হলে ভালো হতো। বর্ষা মৌসুমে হাটের মধ্যে চলা ফেরা করতে অনেক অসুবিধা হয়। এছাড়াও বাজারের অর্বজনা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারীভাবে গাড়ীর ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবী জানান শওকত আলী। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থেকে আগত কলা ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ জানান, আমি দীর্ঘ কয়েক বছর এখানে কলা কিনতে আসি। এখানকার পরিবেশ ভালো। ছিনতাইকারী বা অনান্য কোন ঝামেলা নেই। এই হাটে কলার আমদানিও অনেক ভালো। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থেকে আগত অপর ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, আমি দীর্ঘ দশ বছর এই হাটে কলা কিনে ব্যবসা করি। তাতে মোটামুটি লাভ ভালোই হয়। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে হাটের মধ্যে কাঁদা হাওয়ায় অনেক অসুবিধা হয়। বাজারে মাটি ফেলে ভরাট করে আরেকটু উঁচু করলে ভালো হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Site Customized By NewsTech.Com