1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের করোনাভাইরাসে মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে সংক্রমণ পাংশায় কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ রোভিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া ট্রমা সেন্টারের সাথে ইবি কর্মকর্তা কুষ্টিয়া পরিষদের স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর কালুখালীতে ইউএনও সহ অন্যান্য অফিসারদের সাথে প্রাঃ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কালুখালীতে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি নিয়োগ আলমডাঙ্গায় একজন কিডনি আক্রান্ত রোগিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান কুমারখালীর পশুহাটে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় কুষ্টিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত

পানিকচুর চাষ পদ্ধতি

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৯ মোট ভিউ

 

কৃষি প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশে নানা প্রকার কচু জন্মে থাকে। এদের মধ্যে পানিকচু, মুখীকচু, পঞ্চমুখীকচু, দুধকচু, ওল কচু, মানকচু প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। নিম্নে পানিকচুর চাষপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। উপযোগী জমি ও মাটি: বৃষ্টি বা সেচের পানি সহজেই ধরে রাখা যায় এ ধরনের মাঝারি নিচু থেকে উঁচু প্রকৃতির দোআঁশ ও এঁটেল দোআঁশ মাটিযুক্ত জমি পানিকচু চাষের জন্য উপযোগী। জাত নির্বাচন : বাংলাদেশে অনেক জাতের পানিকচুর চাষ হয়। এর মধ্যে লতিরাজ জাতের পানিকচুর প্রচুর লতি উৎপন্ন হয়। চারা রোপণের সময় : সাধারণত অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন মাসে পানিকচুর চারা  রোপণ করতে হয়। তবে আগাম ফসলের জন্য আশ্বিন-কার্তিক মাসেও চারা লাগানো যায়। জমি তৈরী : দুই-তিনটি চাষ ও মই দিয়ে থকথকে কাদাময় করে পানি কচুর জন্য জমি তৈরি করতে হয়। সার প্রয়োগ : পানিকচু চাষের জন্য হেক্টরপ্রতি ১০ টন গোবর, ১৫০ কেজি ইউরিয়া, ১২৫ কেজি টিএসপি, ১৫০ কেজি এমওপি, ৯০ কেজি জিপসাম ও আট কেজি দস্তা সার প্রয়োগ করতে হয়। শেষচাষের সময়  গোবর, টিএসপি, জিপসাম ও দস্তা সার প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। আর ইউরিয়া ও এমওপি সার সমান দুই কিস্তিতে চারা রোপণের ২০-৩০ দিন পর প্রথম কিস্তি এবং ৬০-৯০ দিন পর দ্বিতীয় কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করে হাত দিয়ে মাটির সাথে ভালো করে মিশিয়ে দিতে হয়। চারা রোপণ পদ্ধতি : জমি তৈরি করার পর ৬০ সে.মি. দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে ৪৫ সে.মি. পর পর (৫-৬ সে.মি. গভীরে) পানিকচুর চারা  রোপণ করতে হয়। এ দূরত্ব অনুসারে প্রতি হেক্টরে প্রায় ৩৭ হাজার (বিঘায় ৫০০০) চারার প্রয়োজন হয়। পরবর্তী পরিচর্যা : প্রয়োজনমতো নিড়ানি দিয়ে পানিকচুর তে সব সময়ে আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গোড়ায় চলমান ও অগভীর পানি পানিকচু গাছের দ্রুত বৃদ্ধির সহায়ক। তাই চারা রোপণের পর থেকে ফসল তোলার আগ পর্যন্ত জমিতে ২-৫ সে.মি. পানি আটকিয়ে রাখতে হয়। তা ছাড়া পানি কচুর সঠিক বাড়-বাড়তির জন্য মাঝে মাঝে জমি থেকে পানি বের করে দিয়ে হাত বা পা দিয়ে জমির মাটি নেড়েচেড়ে দিতে হবে। দুই-তিন দিন জমি শুকানোর পর আবার পানি সেচ দিতে হবে।  পোকা মাকড় ও রোগবালাই দমন : পোকার মধ্যে মাকড় ও লেদা পোকা এবং রোগের মধ্যে পাতার দাগ পানিকচুর ক্ষতি করে। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার (আইপিএম) মাধ্যমে এসব পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করতে হবে। ফসল সংগ্রহ ও ফলন : পানিকচুর চারা গজানোর ৬০-৯০ দিনের মধ্যে লতি  তোলার উপযোগী হয়। ১০-১৫ দিন পর পর লতি তোলা যায়। আর চারা  রোপণের ১৪০-১৮০ দিনের মধ্যে পানিকচুর কান্ড সংগ্রহের উপযোগী হয়। উন্নত পদ্ধতিতে পানিকচু চাষ করলে প্রতি হেক্টর জমি থেকে ২৫-৩০ টন কান্ড এবং ১০-১২ টন লতি পাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page