1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও সেবার জন্য প্রস্তুত নয় হাসপাতালগুলো করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ চন্দ্রিমা ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি জাকির, সম্পাদক মুন্সী তরিকুল বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়ে কোথায় পড়বে জানেনা আবরার ফাহাদের ছোট ভাই কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু রথে চাঁদার টাকা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর ও উচ্ছেদ বিচ্ছু বাহিনীর দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পোড়াদহে খুলনা রেলওয়ে জেলার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা মহানবী (সঃ) ও তার সহধর্মীনিকে কুটক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ রোটারি ক্লাব অব কুষ্টিয়া সেন্ট্রালের সভাপতির দায়িত্বভার নিলেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম

বাংলাদেশের জন্য পাটের বাজার  পুরোপুরি উন্মুক্ত করার চিন্তা ভারতের

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৭ মে, ২০২২
  • ৯ মোট ভিউ

 

কৃষি প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশি পাটের অন্যতম বড় বাজার প্রতিবেশী ভারত। একসময় দেশটিতে শুল্কমুক্ত পাট রপ্তানির সুবিধা পেতো বাংলাদেশ। কিন্তু স্থানীয় পাটচাষিদের স্বার্থ বিবেচনায় ২০১৭ সালে বাংলাদেশি পাট আমদানিতে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করে ভারত সরকার। ফলে ভারতীয় বাজারে বেড়ে যায় বাংলাদেশি পাটের দাম। শুরু থেকেই এ শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল বাংলাদেশ। এতদিনে সেই দাবি পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। ভারতের পাটকলমালিকদের সংগঠন আইজেএমএ সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পাট আমদানিতে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক থাকবে কি না, তা বিবেচনা করছে ভারত সরকার। তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাটচাষিদের ভর্তুকি দেওয়া নিয়ে আপত্তি রয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কোনো পণ্যের দেশীয় বাজারে যে দাম, তার চেয়ে কম দামে যদি সেটি বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তাহলে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে পণ্যটির ওপর যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তার নাম অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশি পাটের ওপর এই শুল্ক আরোপ করেছিল ভারত। শুক্রবার (৬ মে) আইজেএমএ’র উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাট রপ্তানি বেড়েছে। গত ৫ মে এক বিবৃতিতে ভারতীয় পাটকলমালিকরা দাবি করেছেন, বাংলাদেশি পাটে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ না করলে এতদিনে ভারতীয় পাটশিল্প পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতো। আইজেএমএ’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নতুন ও উদ্ভাবনী পণ্য এবং নতুন বাজার বিকাশের জন্য ভারতীয় পাটশিল্পকে বাংলাদেশের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়ার সম্ভাব্য প্রভাবগুলো মূল্যায়ন করছে বলে মনে হচ্ছে। তবে এদিকের সব প্রচেষ্টা বাংলাদেশি উৎপাদকদের প্রচুর ভর্তুকি দেওয়ার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর খরচে তাদের নিজস্ব পাটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি দেখতে বদ্ধপরিকর। ভারতীয় পাটকলমালিকদের সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ কয়েক বছর ধরেই সুতা, চটের বস্তা ও চট রপ্তানিতে নগদ ভর্তুকি বাড়িয়েছে। আইজেএমএ’র এই বিবৃতি এমন সময়ে এলো যখন পাটপণ্যের তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে ভারত। গত কয়েক মাসে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই এক ডজনের বেশি পাটকল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন অন্তত ৬০ হাজার শ্রমিক। এই সংকট কাটাতে প্রতি কুইন্টাল (১০০ কেজি) কাঁচা পাটের দাম সাড়ে ছয় হাজার রুপির বিষয়টি সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন ভারতীয় পাটকলমালিকরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page