1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও সেবার জন্য প্রস্তুত নয় হাসপাতালগুলো করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ চন্দ্রিমা ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি জাকির, সম্পাদক মুন্সী তরিকুল বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়ে কোথায় পড়বে জানেনা আবরার ফাহাদের ছোট ভাই কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু রথে চাঁদার টাকা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর ও উচ্ছেদ বিচ্ছু বাহিনীর দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পোড়াদহে খুলনা রেলওয়ে জেলার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা মহানবী (সঃ) ও তার সহধর্মীনিকে কুটক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ রোটারি ক্লাব অব কুষ্টিয়া সেন্ট্রালের সভাপতির দায়িত্বভার নিলেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম

বিরোধীদল ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে: সিইসি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২
  • ৬ মোট ভিউ

 

ঢাকা অফিস ॥ বিরোধীদলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, একটা কথা বারবার বলেছি, নির্বাচনটা হওয়া দরকার অংশগ্রহণমূলক। যেভাবেই হোক যদি মূল বিরোধীদল নির্বাচনে না আসে, তাহলে নির্বাচন স্বচ্ছ বা অস্বচ্ছ হোক, সেটার কিন্তু গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা অনেক কমে যাবে। কারণ ডেমোক্রেসির মূল কথাই হচ্ছে পজিশন এবং অপজিশন। আমরা চাই নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হোক। নির্বাচনী বিধি মোতাবেক নির্বাচনকালীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সহযোগিতা করতে বাধ্য উল্লেখ করে সিইসি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ধরন পাল্টে যাবে। তখন সরকার শুধু পলিসি নিয়ে কাজ করবে। বিশ্বের সব দেশেই এটা আছে। নির্বাচনী কাজে সরকার আমাদের সহায়তা দেবে। আইন অনুযায়ী এটা দিতে সরকার বাধ্য। সব নির্বাচনে আমরা সরকারের সহায়তা চাইবো। সরকারও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আশা করি। সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি প্রতিনিধি দল এদিন সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের কাছ থেকে মূলত তিনটি মন্ত্রণালয়ের সহায়তা প্রয়োজন। অন্য কোনো মন্ত্রণালয় নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ করে, পুলিশ প্রশাসন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। সরকারের এ তিনটি মন্ত্রণালয় নির্বাচনকালীন ইসিকে সহযোগিতা দেবে। টিআইবির সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, উনাদের বলেছি, আপনারা সরাসরি রাজনীতি না করলেও রাজনীতির ঊর্ধ্বে আপনাদের একটা অবস্থান আছে। প্রতিদিনের আক্রমণাত্মক মন্তব্যগুলো থেকে সরে এসে টেবিলে মুখোমুখি বসলে আলোচনা হবে গঠনমূলক। টেবিলের বাইরে গিয়ে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক বক্তব্য পারস্পরিক বিরুদ্ধাচারণই বাড়াবে। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমবে না। আমরা এ ধরনের দূরত্ব ঘোচাতে চাই। তিনি বলেন, আইনে আমাদের কী ক্ষমতা তা আমাদের জানা। আমরা কিন্তু সে সহায়তা নিতে পারবো। পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। সহিংসতার কারণে নির্বাচন বিঘিœত হলে যে কোনো কেন্দ্রের ভোট বাতিলের ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। আমরা সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবো। পরিবেশ যেন বিরূপ না হয়, ভোটাররা যেন কেন্দ্রে যেতে পারে এবং নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারে, সেটা আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। কোথাও বড় ধরনের সহিংসতা হলে নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বরতরা ভোট স্থগিত বা আসন বাতিল করে দিতে পারবেন। সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনে মনোনয়ন নিতেই প্রার্থীকে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়, এতে প্রার্থীর মধ্যে ‘জয়ী হতেই হবে’ এরকম একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হয়। প্রার্থী কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে মনোনয়ন নিয়ে বিজয়ী হওয়ার পরই সেই টাকা তুলে আনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এতে কিন্তু একটা সহিংস চরিত্র গড়ে ওঠে। এটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হবে জানি না। তবে দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বকে উপলিব্ধ করা উচিত যে, নির্বাচন যেন বাণিজ্যে পরিণত না হয়। বাণিজ্যের জন্য এমপি হতে হবে, মনোনয়ন নিয়ে যে করেই হোক নির্বাচনে জিততে হবে, এ ধরনের মানসিকতা থেকে প্রার্থীদের বের করে আনতে পারলে আমাদের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থা বর্তমান অবস্থার চেয়ে আরও উন্নত হবে। নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে জানতে চাইলে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচনের সময় যে সরকার থাকবে সেটাই নির্বাচনকালীন সরকার। অপজিশন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ যেসব দাবি করা হচ্ছে এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই। এগুলো আমাদের বিষয়ও নয়। এটা সাংবিধানিক বিষয়। রাজনৈতিক নেতারা একমত হয়ে এগুলো দেখবেন। আমরা শুধু চাই, বিধি মোতাবেক নির্বাচনকালীন সরকার ইসিকে সহযোগিতা করুক। কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহারের এলাকা ছাড়তে ইসির চিঠি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি বলেন, এমপিদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো কি না জানি না। উনাকে (এমপি বাহার) চিঠি দিয়েছিলাম যেন উনি এলাকায় না থাকেন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে বলা হয়েছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন না। তিনি (এমপি বাহার) আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে, আমরা উনাকে চিঠির মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বলেছিলাম। উনি এলাকা ছাড়েননি। ‘যখন সংসদ নির্বাচন হবে, তখন তো উনারা এলাকায়ই থাকবেন। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভিভিআইপিদের কিছু আচরণবিধি ফলো করা উচিত। এটা তো আপেক্ষিক বিষয়, আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো কি পারবো না জানি না। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে’- যোগ করেন তিনি। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সব দেশেই তো এটা হচ্ছে। ভারতে হচ্ছে, যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রেও দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হচ্ছে। সরকার তো সরকারই। দল ভিন্ন জিনিস। আমরা সরকার ও দলের মধ্যে এ পার্থক্য এবং বিভাজনটা স্পষ্ট করতে পারলে সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। কারণ, একটি দেশের সরকার পক্ষপাতিত্ব না করার শপথ নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। সরকার সবসময়ই সম আচরণ করে। আমার বিশ্বাস, সরকার তার শপথটা ভালো করেই জানে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page