1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের করোনাভাইরাসে মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে সংক্রমণ পাংশায় কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ রোভিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া ট্রমা সেন্টারের সাথে ইবি কর্মকর্তা কুষ্টিয়া পরিষদের স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর কালুখালীতে ইউএনও সহ অন্যান্য অফিসারদের সাথে প্রাঃ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কালুখালীতে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি নিয়োগ আলমডাঙ্গায় একজন কিডনি আক্রান্ত রোগিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান কুমারখালীর পশুহাটে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় কুষ্টিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত

ভারতে প্রজনন হার বেশি কমছে মুসলিমদের

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ মে, ২০২২
  • ৭ মোট ভিউ

 

ঢাকা অফিস ॥ ভারতে প্রায় সব ধর্মের মানুষের বসবাস। তবে দেশটিতে আনুপাতিক হারে মুসলিমদের প্রজনন হার কমছে। দেশটির জাতীয় ফ্যামিলি হেলথ সার্ভিস (এনএফএইচএস) ৫-এর তথ্য বলছে, ২০১৫-১৬ সালে প্রজননের হার ছিল দুই দশমিক ছয়। ২০১৯-২১ সালে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে দুই দশমিক তিন-এ। সব ধর্মের মানুষের মধ্যে প্রজননের হার কম হলেও মুসলিমদের মধ্যে কমার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। ১৯৯২-৯৩ সালে ভারতে মুসলিমদের মধ্যে প্রজননের হার ছিল চার দশমিক চার, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে দুই দশমিক তিন-এ। তবে ভারতে মুসলিমদের প্রজননের হার অন্যান্যের তুলনায় এখনো সবচেয়ে বেশি। ভারতে হিন্দুদের মধ্যে প্রজনন হার হলো এক দশমিক ৯৪। ২০১৫-১৬ সালের মধ্যে তা ছিল দুই দশমিক এক। ১৯৯২-৯৩ সালে হিন্দুদের প্রজননের হার ছিল তিন দশমিক তিন। এনএফএইচএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ানদের প্রজননের হার এক দশমিক ৮৮, শিখদের এক দশমিক ৬১, জৈনদের এক দশমিক ছয় এবং বৌদ্ধদের এক দশমিক ৩৯। পপুলেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক পুনম মুর্তাজা বলেন, ‘‘হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে প্রজননের হারে যে ব্যবধান ছিল, তা কমছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘গত কয়েক দশকে মধ্যবিত্ত মুসলিমরা পরিবার পরিকল্পনা ও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে সচেতন হয়েছেন।’’ এর আগে ২০১৫-১৬ সালের এনএফএইচএসের সমীক্ষায় দেখা যায়, ৩২ শতাংশের বেশি মুসলিম মেয়ে কোনো স্কুলেই যান না। সেই হার এবারের এনএফএইচএসের সমীক্ষায় কমে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক নয়-এ। হিন্দুদের ক্ষেত্রে এ হার আগে ছিল ৩১ দশমিক চার, এখন তা কমে হয়েছে ২৮ দশমিক পাঁচ। সমীক্ষায় আরও দেখা যায়, যত বেশি মেয়েরা শিক্ষা পাচ্ছেন, ততই সন্তানের সংখ্যাও কমছে। যে মেয়েরা স্কুলে যাননি, তাদের প্রজননের হার হলো দুই দশমিক আট, আর যারা স্কুলে গেছেন এবং অন্তত ১২ ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন, তাদের প্রজনেনর হার এক দশমিক আট। যে সব নারীরা গরিব, তাদের প্রজননের হার অন্যান্যের তুলনায় বেশি। মুর্তাজার দাবি, ‘‘মুসলিমরা এখন পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে আগের থেকে বেশি সচেতন। সমীক্ষায় এটাও দেখা গেছে, তারা আগের থেকে অনেক বেশি জন্মনিরোধক ব্যবহার করছেন।’’ দেশটির এক প্রবীণ সাংবাদিক বলেন, ‘‘হিন্দুত্ববাদীরা প্রচার করেন যে, মুসলিমদের প্রজননের হার খুবই বেশি। হিন্দুদের কম। ফলে ভারতে মুসলিমদের সংখ্যা হিন্দুদের তুলনায় বাড়ছে। সরকারি তথ্য দেখিয়ে দিচ্ছে, এ ধরনের প্রচারণা একেবারেই ভিত্তিহীন।’’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page