1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও সেবার জন্য প্রস্তুত নয় হাসপাতালগুলো করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ চন্দ্রিমা ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি জাকির, সম্পাদক মুন্সী তরিকুল বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়ে কোথায় পড়বে জানেনা আবরার ফাহাদের ছোট ভাই কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু রথে চাঁদার টাকা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর ও উচ্ছেদ বিচ্ছু বাহিনীর দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পোড়াদহে খুলনা রেলওয়ে জেলার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা মহানবী (সঃ) ও তার সহধর্মীনিকে কুটক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ রোটারি ক্লাব অব কুষ্টিয়া সেন্ট্রালের সভাপতির দায়িত্বভার নিলেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম

মিশ্র ফল বাগান তৈরি করে সফলতা পাচ্ছে কৃষক

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৭ মোট ভিউ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পটুয়াখালীসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে ফল চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্যক্তি উদ্যোগে যেসব মিশ্র ফল বাগান তৈরি করা হয়েছে সেসব বাগান থেকে ইতিমধ্যে ফল সংগ্রহ এবং বিক্রি করে সফলতা পাচ্ছেন চাষিরা। ফলে নতুন নতুন ফলের বাগান তৈরি হচ্ছে। এসব বাগানে শোভা পাচ্ছে দেশি-বিদেশি ফল। ফলের এ মিশ্র চাষ ছড়িয়ে দিতে পারলে বিদেশ থেকে ফল আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পটুয়াখালীর বাউফলের সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল। দেশের প্রথমসারির একটি সংবাদপত্রের জেলা প্রিিতনিধি হিসেবে কাজ করতে গিয়ে মাঠে ঘাটে অনেক কৃষকের সফলতার গল্প তুলে এনেছেন। সেসব সফল কৃষকদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে গত বছর নিজেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়েছেন। নিজ এলাকায় ৪০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে গত বছর শুরু করেন ফলের বাগান। এ বছর সেই বাগানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ছয় ধরনের ফল এসেছে। এর মধ্যে আছে লাল এবং হলুদ রঙের তরমুজ, মাল্টা, ড্রাগন, পেঁপে, লেবু এবং বিদেশি ফল রক মেলন। দুই বছরেই কৃষিতে সফলতার মুখ দেখায় এলাকার অনেকেই এ বাগান দেখে ফল বাগান করতে উৎসাহী হচ্ছেন। প্রথম দিকে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলেও এখন অনেকটাই গুছিয়ে নিয়ে বাগান আরও বড় করার চিন্তা করছেন বলে জানান সোহেল। তিনি বলেন, পেশাগত জীবনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক কৃষকের সাথে পরিচয় হয়েছে। তাদের কাজের সফলতা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করি। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। ইতিমধ্যে আমার বাগানে ফল আসতে শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি এখন ফলের ভালো দাম পাওয়া যাবে। বিশেষ করে এ বছর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বারি তরমুজ-১ এবং বারি তরমুজ-২ আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছি। আমি চেষ্টা করেছি একই জমি থেকে কিভাবে বেশি চাষাবাদ করা যায়। সব মিলিয়ে কৃষিতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ করলে সফলতার মুখ দেখা যায়, সেটি প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে ফলের এই বাগান নিয়মিত পরিদর্শন করে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়ার কথা জানান বাউফল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের এ ধরনের ফলের বাগান তৈরি করতে পারলে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে জেলার বাইরেও ভালো দামে বিক্রি করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page