1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও সেবার জন্য প্রস্তুত নয় হাসপাতালগুলো করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ চন্দ্রিমা ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি জাকির, সম্পাদক মুন্সী তরিকুল বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়ে কোথায় পড়বে জানেনা আবরার ফাহাদের ছোট ভাই কুষ্টিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু রথে চাঁদার টাকা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর ও উচ্ছেদ বিচ্ছু বাহিনীর দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পোড়াদহে খুলনা রেলওয়ে জেলার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা মহানবী (সঃ) ও তার সহধর্মীনিকে কুটক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ রোটারি ক্লাব অব কুষ্টিয়া সেন্ট্রালের সভাপতির দায়িত্বভার নিলেন প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম

রমজানের ক্রটি-বিচ্যুতি দূর করতে ফিতরা আদায় করতে হয়

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৪ মোট ভিউ

 

আলহাজ্ব আব্দুম মুনিব ॥ মনে রাখতে হবে রমজান মাসের রোজার ক্রটি-বিচ্যুতি দূর করতেই সাদকাতুল ফিতরকে আবশ্যক করা হয়েছে। নামাজের ক্রটি-বিচ্যুতি দূর করতে যেমন সাহু সিজদা আদায় করতে হয় তেমনি রমজানের ক্রটি-বিচ্যুতি দূর করতে ফিতরা আদায় করতে হয়। রমজান মাসে সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিন যাতে ধনী-গরিব উভয়ে উত্তম পোশাক ও উন্নতমানের খাবার খেতে পারে; অন্যান্য সময়ের মতো অভাব অনুভব করতে না হয় সে জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকদের জন্য এ ফিতরা আদায় করা আবশ্যক।

যাদের জন্য ফিতরা ওয়াজিব

সাদকাতুল ফিতর আদায় করা যাদের ওপর ওয়াজিব। এ বিষয়টির ব্যাপারে ইসলামি শরিয়ত কিছু শর্ত আরোপ করেছে। তা হলো-১/ সাদকাতুল ফিতর আদায়কারীকে স্বাধীন হতে হবে। গোলাম তথা পরাধীন ব্যক্তির ওপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব নয়। ২/ মুসলমান হতে হবে। অমুসলিমদের ওপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব নয়। ৩/ নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হতে হবে। যদি  কেউ নিসাব পরিমান সম্পদের মালিক না হয়, তবে তার ওপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব নয়। ৪/ নিসাব পরিমাণ সম্পদ প্রয়োজনীয় সব নিজিস থেকে অতিরিক্ত হতে হবে। তবে বিষয়টি এমন নয় যে, নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক না হলে ফিতরা  দেয়া যাবে না। বরং ফিতরা ওই সব লোকদের আদায় করা উচিত, যারা ঈদের রাত ও দিনে নিজের এবং পরিবারের সবার একান্ত প্রয়োজনীয় আহার নির্বাহের পর অতিরিক্ত খাদ্য বা সম্পদ মজুদ থাকে। ফিতরা দেয়ার জন্য জাকাত ফরজ হওয়ার বিষয়াবলীর  কোনো বিধান নেই। সুতরাং এ কথা বলা যাবে না যে, ‘আমার ওপর তো জাকাত ফরজ নয়; বা আমারতো নিসাব পরিমাণ সম্পদ  নেই।

যারা ফিতরা আদায় করতে পারবেন:- ১। যাদের কাছে রমজানের  শেষ রোজায় ঈদের যাবতীয় খরচাদি মিটিয়ে অতিরিক্ত অর্থ থাকবে, তাদের জন্য পরিবারের সব সদস্যদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা উত্তম। ২। ফিতরা দেয়ার জন্য জায়গা-জমি, বাড়ি-গাড়ি, ধন-সম্পদ নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়া জরুরি নয়। এ সাদকা কাফফারার মতো যা ধনী-গরিব সকলেই আদায় করতে বাধ্য। ৩। পরিবারের সবার জন্য নির্ধারিত হারে ফিতরা দিতে হবে। পরিবারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি শুধুমাত্র নিজের ফিতরা নয়, বরং তার অধীনস্থ ছোট-বড় পরিবারের সব সদস্যদের এমনকি ঈদের নামাজের পূর্বে সদ্য ভূমিষ্ট বাচ্চার জন্যও সাদকাতুল ফিতর দিতে হবে। ৪। যে ব্যক্তির ফিতরা আদায় করার মতো কিছু সম্পদ আছে; কিন্তু ওই ব্যক্তির সমপরিমাণ দেনা বা ঋণও আছে; তবুও সে ব্যক্তি ফিতরা আদায় করতে পারবে। তবে যদি ঋণদাতা তার ঋণ পরিশোধ করার জন্য তাগাদা দেয়; তাহলে  সেক্ষেত্রে ফিতরা না দিয়ে আগে ঋণ পরিশোধ করা আবশ্যক। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব সামর্থবান নারী ও পুরুষদেরকে রোজার ক্রটি-বিচ্যুতি থেকে মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি গরিব দুঃখীর মুখে হাসি ফোটাতে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন। আমিন। তথ্য-সংগ্রহ।

লেখক ঃ কামিল (আল হাদিস) মাস্টার্স (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page