1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

৩৫ বছর হলেই টিকার নিবন্ধনের সুযোগ মিলবে

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৪৬ মোট ভিউ

 

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাসের টিকার জন্য নিবন্ধনের ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে ৩৫ বছর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সোমবার অধিপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেছেন, নিবন্ধন চালু করে দিয়ে সারাদেশে আবারও গণটিকাদান কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছেন তারা। রোববার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তিন-চার দিনের মধ্যেই আবার নিবন্ধন শুরু হবে। টিকার জন্য নিবন্ধনের সময়সীমা ৪০ বছর পর্যন্ত ছিল। এটা ৩৫ বছর পর্যন্ত নামিয়ে আনার একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগে যারা নিবন্ধন করেছেন তারা আগে টিকা পাবেন। এভাবেই আমরা ঠিক করেছি। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজে থাকা কয়েকটি পেশার কর্মীদেরও টিকা পাওয়ার তালিকায় রাখা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। নিবন্ধনের জন্য আইসিটি বিভাগকে বলা হয়েছে। তারা বলেছেন তাড়াতাড়ি সময়ের মধ্যে তারা এটা করে দেবেন। আমরা আশা করছি আমাদের গণটিকাদান কার্যক্রম খুব দ্রুতই শুরু করব। কিছু কিছু নিবন্ধন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখের মতো নিবন্ধন করে দিয়েছি, তারা এরইমধ্যে টিকা নিয়েছেন। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের তিন কোটি ডোজ কেনার জন্য গত বছরের শেষ দিকে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। সেই টিকার প্রথম চালান পাওয়ার পর ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়। কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউট দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে টিকার সঙ্কটে পড়ে বাংলাদেশ। পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় ২৫ এপ্রিল দেশে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় সরকার অন্য উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে। ২৭ মে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে সিনোফার্মের দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাব সবুজ সংকেত পায়। এছাড়া চীনের উপহার হিসেবে দুই দফায় সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসে। আর টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা পাওয়া যায়। তাই দিয়ে গত ১ জুলাই থেকে সারাদেশে জেলা পর্যায়ে আবারও টিকাদান শুরু হয়। তারপর দুই জুলাই রাতে এবং ৩ জুলাই সকালে দুই চালানে সিনোফার্ম থেকে কেনা টিকার ২০ লাখ ডোজ দেশে আসে। একইভাবে কোভ্যাক্স থেকে পাঠানো দুটি চালানে মর্ডানার টিকার ২৫ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ হাতে পায় ৪৫ লাখ ডোজ কোভিড টিকা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, “টিকাদান কার্যক্রম আমরা জোরেশোরেই শুরু করেছিলাম। টিকা না পাওয়ায় মাঝখানে কিছুদিনের জন্য টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আমরা আনন্দের সাথে বলতে পারি, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না।” ডিসেম্বর নাগাদ বাংলাদেশ বিভিন্ন উৎস থেকে ১০ কোটি ডোজ টিকা পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে বা তার পরে জনজন অ্যান্ড জনসন থেকে আরও সাত কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা করছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে এ পর্যন্ত ৭২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৯ জন টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host

You cannot copy content of this page