1. andolonerbazar@gmail.com : AndolonerBazar :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন

৭১’র ১৩ আগস্ট কুষ্টিয়ার মিরপুরের শুকচা বাজিতপুরের সম্মুখ যুদ্ধ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ২১ মোট ভিউ

 

শাহ আলম মন্টু ॥ ১২ই আগস্ট ১৯৭১ চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা আলমডাঙ্গা ও হালসার মাঝে কালিদাসপুর গ্রামের উত্তরে রাতে পাকিস্তানি সৈন্যের টহল ট্রেন উড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে রেল লাইনের নীচে পেসার চার্জে এন্টিট্যাংক মাইন স্থাপন করে। স্থাপিত মাইনের উপর দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের টহল ট্রেন চলে যায়। কিন্তু মাইন বিস্ফোরিত না হওয়ায় ট্রেনের কোন ক্ষতি হয়নি। কমান্ডার মো: আব্দুল হান্নান সহ সব মুক্তিযোদ্ধারা হতাশ হয়। মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে আসার সময় রেল লাইনের পাশে খালের মধ্যে পানিতে পেতে রাখা চারো/ বিত্তির মাছ সব নিয়ে নেয়। মুক্তিযুদ্ধের বছরে অনেক বৃষ্টি হয়েছিল। চারিদিকে বর্ষার থৈ থৈ পানি। তখন গ্রামের মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাত দিতে পারতো কিন্তু তরকারি দিতে পারতেন না। তাই সেদিন তারা পেতে রাখা চারো/বিত্তির মাছ এবং ক্ষেত থেকে পটল নিয়েছিল। এই রাতে মুক্তিযোদ্ধারা কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার মেকুরপুর গ্রামের উত্তর দিকের শেষ বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ওই বাড়ির মালিকের নাম ইছাহাক মন্ডল।   ১৩ই আগস্ট ১৯৭১ কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার শুকচা গ্রামের পূর্ব পাশে ওয়াপদা ক্যানেলের কাছে এবং ব্রিকফিল্ডে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকিস্তানি সৈন্যের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এই রাতে আলমডাঙ্গা এলাকার মুক্তিযোদ্ধার যে দলটি মিরপুর থানার মেকুরপুর গ্রামের শেষ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই বাড়ির মালিক ইছাহাক মন্ডল মুক্তিযোদ্ধাদের নাস্তার ব্যবস্থায় ব্যস্ত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা সকালে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তার অপেক্ষায় রয়েছেন। ডাল চুলায়, ডাল রান্না হলেই তাদের খাবার দিবেন। এমন সময় কয়েকজন লোক দৌঁড়ে এসে সংবাদ দিলেন, পাকিস্তানি সৈন্য শুকচা গ্রামের পূর্ব দিক দিয়ে বাজিতপুর গ্রামের দিকে আসছে। পাকিস্তানি সৈন্য আসার সংবাদ শুনে কোন মুক্তিযোদ্ধাদের নাস্তা খাওয়া হল না। তারা নাস্তা খাওয়া বাদ দিয়ে অস্ত্র, গোলা-বারুদ নিয়ে প্রস্তুত হলেন। কমান্ডার মো: আব্দুল হান্নান তার দলের মুক্তিযোদ্ধা ও বাল্যবন্ধু জামসেদ নূরী টগরের সংগে পরামর্শ করলেন। এরপর এই দলের সব মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানি সৈন্যের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। এই দলের উপদেষ্টা আলমডাঙ্গা ষ্টেশন পাড়ার মোল্লা আব্দুর রশিদ কয়েক দিন আগে বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে গোলা বারুদ আনতে ভারতে গিয়েছিলেন। তাই এই দিন এই দলে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কম ছিল। মুক্তিযোদ্ধার তুলনায় পাকিস্তানি সৈন্যের সংখ্যা ছিল কয়েকগুণ বেশী। তবুও এই দিন যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মান-সম্মান ও লজ্জার ব্যাপার ছিল। তাই তারা সংখ্যায় কম হয়েও পাকিস্তানি সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন। পাকিস্তানি সৈন্য যে পথ দিয়ে শুকচা, বাজিতপুর গ্রামে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধারা সে পথে এ্যাম্বুশ করেন। পাকিস্তানি সৈন্যের এই পথ দিয়ে ফিরে আসা ছাড়া অন্য কোন স্থল পথ ছিল না। শুকচা গ্রামের পূর্ব পাশে ওয়াপদা ক্যানেল, তার উপর দিয়ে পাকা ব্রীজ। ক্যানেলের পশ্চিম পাশে ব্রিকফিল্ড। ব্রিকফিল্ডের দক্ষিণ – পশ্চিম পাশে কুমার নদী ও পূর্ব পাশে ওয়াপদা ক্যানেল নদীতে অথৈ পানি। তাই মুক্তিযোদ্ধারা ওয়াপদা ক্যানেলের ব্রিজের গোড়ায় পশ্চিম পাশে এ্যাম্বুশ করেন। পাকিস্তানি সৈন্য শুকচা বাজিতপুর গ্রামে প্রবেশ করে মোঃ আব্দুল হান্নানের দলের মুক্তিযোদ্ধা মুনতাজ আলীর বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং তারা বেশ কিছু ছাগল-মুরগী লোক দিয়ে ধরায়। তখন আনুমানিক সকাল ৯টা বাজে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। পাকিস্তানি সৈন্য শুকচা বাজিতপুর গ্রাম হতে ছাগল, মুরগী নিয়ে ফিরার পথে ব্রিকফিল্ড ও ব্রীজের কাছে মুক্তিযোদ্ধার এ্যাম্বুশে পড়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম আক্রমণেই ২জন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত এবং ১ জন আহত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের লাইট মেশিনগানের ব্রাশ ফায়ারে পজিশন নিতে যেয়ে ৯ জন পাকিস্তানি সৈন্য কুমার নদীর প্রবল গ্রোতের মধ্যে পড়ে যায় এবং পানিতে ডুবে তারা মারা যায়। বাকী পাকিস্তানি সৈন্যরা ব্রিকফিল্ডের মধ্যে অবস্থান নেয়। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার লাইট মেশিনগানের গ্যাস রেগুলেটর জাম হয়ে ফায়ার বন্ধ হয়ে যায়। এই সুযোগে পাকিস্তানি সৈন্য ব্রিকফিল্ড হতে মুক্তিযোদ্ধাদের দিকে এগিয়ে আসে। মুক্তিযোদ্ধা ও পাকিস্তানি সৈন্য মুখোমুখি হয়ে যায়। উভয়েই বেয়নেট চার্জের পর্যায়ে এসে পড়ে। কিন্তু ক্যানেলের ভিতর দিক হতে মুক্তিযোদ্ধার ও ক্যানেলের বাহির দিক হতে পাকিস্তানি সৈন্যের ফাঁকা ফায়ারের জন্য কেউ কাউকে বেয়নেট চার্জ করার সুযোগ পাচ্ছিল না। তবে এক পর্যায়ে পাকিস্তানি সৈন্য ভাল অবস্থানে চলে আসে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জীবিত ধরার চেষ্টা করে। অবস্থা বুঝে মুক্তিযোদ্ধা দলের কমান্ডার মো: আব্দুল হান্নান তার দলের মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সব মুক্তিযোদ্ধারা ফায়ার করতে করতে উত্তর দিকে সরে যেতে থাকেন। এই দলের একজন মুক্তিযোদ্ধা আলমডাঙ্গা ষ্টেশন পাড়ার রবিউল ইসলাম ক্যানেলের পানির মধ্যে রাইফেল ফেলে দিয়ে সাঁতরিয়ে অপর পাড়ে সুতাইল গ্রামের দিকে চলে যায়। অন্য মুক্তিযোদ্ধারাও ফায়ার করতে করতে বিপদ সীমা পার হয়ে যায়। কিন্তু কমান্ডার মো: আব্দুল হান্নান ও খন্দকার জামসেদ নূরী টগর পিছনে পড়ে যায়। আব্দুল হান্নানের কাছে তখন রুখে যাওয়া লাইট মেশিনগান ও খন্দকার জামসেদ নূরী টগর এর কাছে গুলি ভর্তি ৮টি লাইট মেশিনগানের ম্যাগজিন ছিল। স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যারেল বদলী করে লাইট মেশিনগান সচল করার সম্ভব ছিল না। আব্দুল হান্নান ও জামসেদ নূরী টগর এর কাছে তখন অন্য কোন অস্ত্র ছিল না। তবুও মো: আব্দুল হান্নান রুখে যাওয়া লাইট মেশিনগান দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর বার বার ফায়ার করার ভয় দেখিয়ে উত্তর দিকে দৌঁড়ে যাচ্ছিলেন। তারা অল্প কিছু দূর যেতে না যেতেই ততক্ষণে পাকিস্তানি সৈন্য ক্যানেলের উপর ওঠে পড়ে এবং খুব কাছ থেকে তাদের উপর রাইফেলের গুলি করতে থাকে। এভাবে গুলি করতে করতে মো: আব্দুল হান্নান ও জামসেদ নূরী টগরকে পাকিস্তানি সৈন্য তাড়িয়ে নিয়ে যেতে থাকে। মো: আব্দুল হান্নান ও জামসেদ নূরী টগর বিভিন্ন কৌশলে গুলির হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন। পাকিস্তানি সৈন্যের রাইফেলের অসংখ্য গুলি তাদের মাথার কাছ দিয়ে পায়ের ফাঁক, কানের কাছ দিয়ে বগলের নীচে দিয়ে চলে যায়। তারা কখনও মাটিতে শুয়ে পড়ে, কখনও রোলিং করে, আবার কখনও দৌড়ে পথ অতিক্রম করছিলেন। তাও তারা লাইট মেশিনগান ও গুলি ভর্তি ম্যাগজিন হাত ছাড়া করেননি। লাইট মেশিনগান ও ম্যাগাজিন নিয়ে  দৌঁড়াতে তাদের বেশ কষ্ট হচ্ছিল। তবুও তারা এভাবে বেশ কিছু দূর চলে যায়। হঠাৎ করে পাকিস্তানি সৈন্যের একটি গুলি এসে জামসেদ নূরী টগর এর মাথায় লাগে এবং সংগে সংগে মাটিতে পড়ে শহীদ হন। এই সময়ে আলমডাঙ্গা থানার মুজিব বাহিনীর কমান্ডার কাজী কামাল সুতাইল গ্রাম হতে রাইফেলের কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। কাজী কামালের রাইফেলের গুলির শব্দ শুনে পাকিস্তানি সৈন্য সেখানেই থেমে যায়। সুযোগ বুঝে মো: আব্দুল হান্নান তার লাইট মেশিনগান ক্যানেলের পানির মধ্যে ফেলে দিয়ে ক্যানেলের পশ্চিম দিকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে সক্ষম হন। পাকিস্তানি সৈন্য খন্দকার জামসেদ নূরী টগর এর লাশ গরুর গাড়ীর পিছনে বেঁধে টানতে টানতে আলমডাঙ্গা শহরে নিয়ে যায়। পাকিস্তানি সৈন্য এলাকা ছেড়ে চলে যাবার পর মো: আব্দুল হান্নান, ফেলে আসা লাইট মেশিনগান ক্যানেলের পানি হতে লোক দিয়ে উদ্ধার করেন। কিন্তু রবিউল ইসলামের ফেলে যাওয়া ৩০৩ রাইফেল ক্যানেলের পানি হতে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই দিন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ১০ জন এবং পাকিস্তানি সৈন্যের সংখ্যা ছিল ৩৫ জন মতো। এই যুদ্ধে ১জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। কোন মুক্তিযোদ্ধা আহত হননি। এই দিন ২জন পাকিস্তানী সৈন্য গুলিতে এবং ৯ জন পাকিস্তানী সৈন্য কুমার নদীর প্রবল গ্রোতে পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। ১ জন পাকিস্তানি সৈন্য গুলিতে আহত হয়। এই যুদ্ধের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হলেন (১) খন্দকার জামসেদ নূরী টগর, পিতা- খন্দকার নূর উদ্দিন, গ্রাম- গোবিন্দপুর, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা। আলমডাঙ্গার শান্তি কমিটির সদস্য, রাজাকার ও তাদের সমর্থকরা খন্দকার জামসেদ নূরী টগর এর লাশ গরুর গাড়ীতে বাঁশ দিয়ে ঝুলিয়ে আলমডাঙ্গা শহর প্রদক্ষিণ করে এবং সংগে ব্যান্ডপার্টি নিয়ে আনন্দ উল্লাস করে। তারা জামসেদ নূরী টগর এর লাশ সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য আলমডাঙ্গা শহরের ৪ তলা বিল্ডিং এ কয়েক দিন ঝুলিয়ে রাখে। শান্তি কমিটির সদস্য ও রাজাকাররা জামসেদ নূরী টগর এর লাশ সনাক্ত করার জন্য তার পিতা খন্দকার নুর উদ্দিনকে বাড়ি হতে নিয়ে আসে। কিন্তু খন্দকার নুর উদ্দিন ভয়ে জামসেদ নূরী টগর এর লাশ তার ছেলের লাশ নয় বলে অস্বীকার করেন। কয়েক দিন পর খন্দকার জামসেদ নূরী টগর এর লাশ আলমডাঙ্গা বাজারের পূর্ব পাশের মহরম বিহারীর বাড়ির সোজা ক্যানেলে পুঁতে রাখা হয়। এই দিন শান্তি কমিটির যে সব সদস্য পাকিস্তানি সৈন্যদের সংগে করে শুকচা বাজিতপুর গ্রামে নিয়ে গিয়েছিল এবং তাদের গাইড হিসাবে কাজ করেছিল তারা হলো, হারদী গ্রামের আনিসুজ্জামান খানের ছেলে বাবলু খান, কুমারী গ্রামের সাদেক আলী চেয়ারম্যান। এই দিন পাকিস্তানি সৈন্যরা বাজিতপুর গ্রামের আইনুদ্দিন চেয়ারম্যানকে তার আলমডাঙ্গা বাজারের বাসা হতে জোর করে লাল ব্রীজের কাছে ধরে নিয়ে এসেছিল। আইনুদ্দিন চেয়ারম্যানের বাজিতপুর গ্রামের বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধারা থাকতেন। আইনুদ্দিন চেয়ারম্যান শান্তি কমিটির সদস্য ছিল। যে সব মুক্তিযোদ্ধা এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তারা হলেন- (১) কমান্ডার মো: আব্দুল হান্নান, গ্রাম- আলমডাঙ্গা ষ্টেশন পাড়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (২) মো: আমিরুল ইসলাম, গ্রাম- এনায়েতপুর, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৩) শহীদ খন্দকার জামসেদ নূরী টগর, গ্রাম- গোবিন্দপুর, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৪) মো: খবির উদ্দিন, গ্রাম- ভোদুয়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৫) মো: রবিউল ইসলাম, গ্রাম- আলমডাঙ্গা ষ্টেশন পাড়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৬) মো: লাল চান, গ্রাম- বাঁশবাড়িয়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৭) শাহজাহান (ভাদু), গ্রাম- পারকুলা, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৮) মো: দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম- পাইকপাড়া, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা, (৯) মো: বদরুল ইসলাম, গ্রাম- রামনগর,থানা- হরিনাকুন্ড, জেলা- ঝিনাইদহ, (১০) আজিবর রহমান, গ্রাম : বাজিতপুর, থানা : মিরপুর, জেলা : কুষ্টিয়া। এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা  মো: আমিরুল ইসলাম ও মো: খবির উদ্দিন যে দক্ষতা ও সাহসিকতা  দেখিয়েছিলেন তা স্মরণ রাখার মত। ১৩ই আগষ্ট ১৯৭১ আলমডাঙ্গা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রথম রক্তক্ষয়ী সম্মুখ যুদ্ধ।   মো: আব্দুল হান্নান,

যুদ্ধকালীন আলমডাঙ্গা থানা গেরিলা কমান্ডারের লেখা থেকে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
© All rights reserved ©2021  Daily Andoloner Bazar
Theme Customized By Uttoron Host
You cannot copy content of this page